সুমি জানান, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইরান, সুইজারল্যান্ড, ইউকেসহ আরও বেশ কিছু দেশের বৈশ্বিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করছেন এমন প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিল্পী ও নীতিনির্ধারকেরা উপস্থিত ছিলেন সম্মেলনে। কীভাবে সৃজনশীল উপায়ে আরও বেশি করে মানুষকে পরিবেশের ব্যাপারে সচেতন করা যায়, তার উপায় নিয়ে কথা বলতেই এ আয়োজন। এতে উপস্থিত হয়েছিলেন পরিবেশ আন্দোলন নিয়ে পৃথিবী কাঁপিয়ে দেওয়া গ্রেটা থুনবার্গের ‘ফ্রাইডেইজ ফর ফিউচার’–এর প্রতিনিধিরাও।

নরওয়ে থেকে সুমি বলেন, ‘জলবায়ু ও নদী রক্ষায় বাংলাদেশ থেকে আমাদের সমবেত প্রচেষ্টা ‘নদীরক্স’ নিয়ে এবার জানানোর সুযোগ হলো বিশ্বপরিমণ্ডলে। এখানে আসা প্রত্যেকে এই উদ্যোগের জন্য দারুণভাবে সাধুবাদ জানিয়েছে। আমাদের নদী দেখে, আমাদের ব্যান্ডগুলোর গান শুনে অভিভূত হয়েছেন। এখানে এসব দেশ থেকে আসা মিউজিশিয়ানরা নদীরক্সের গানে বাজাতে চেয়েছেন। অনেকেই নদীরক্সে শামিল হতে চেয়েছেন। অনেকে তাঁদের দেশেও এই আইডিয়ায় কাজ করতে চেয়েছেন। আয়োজনের পুরো পরিবেশটা ছিল ভীষণ পারিবারিক, ক্রিয়েটিভ, যেখানে প্রত্যেকে আসলে যাঁর যাঁর জায়গা থেকে সত্যিকার অর্থে পৃথিবী নিয়ে ভাবছেন। কিছু করার চেষ্টা করছেন।’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুই সংগীত সম্মেলনে অংশ নিতে টানা বিশ্বভ্রমণে আছেন চিরকুট ব্যান্ডের এ শিল্পী। পর্তুগালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগীত সম্মেলন ‘ওম্যাক্স’-এ অংশগ্রহণের পর বর্তমানে বিশ্বখ্যাত ‘অসলো ওয়ার্ল্ড মিউজিক ফেস্টিভ্যাল’-এ অংশ নিতে এখন নরওয়েতে অবস্থান করছেন তিনি। উৎসবে অংশগ্রহণের আগেই যোগ দেন সুইডেনের এ আন্তর্জাতিক জলবায়ুকেন্দ্রিক সম্মেলনে। আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনের পরবর্তী আসর অনুষ্ঠিত হবে কানাডায়।