শ্রীলেখা মিত্র তাঁর ফেসবুকে পোস্ট করলেন তাঁর শখের কথা। আর সেখানেই ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ গানের মতো লম্বা বাইক রাইডে ঘুরে বেড়াতেন। কিন্তু শ্রীলেখা কি তাঁর উত্তম কুমারের খোঁজ পেলেন? এমনটাই প্রশ্ন করেছেন তাঁর স্ট্যাটাসের নিচে। পোস্ট দেখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নানা মন্তব্যে ভরে গেল মন্তব্য বক্স। অনেকে তো শ্রীলেখার ইচ্ছাপূরণে সাড়াও দিলেন। আর শ্রীলেখা তার উত্তরে লিখলেন, ‘আর কটা দিন বলো! সব শখ পূরণ করতে হবে।’

default-image

শুধু মনের ইচ্ছেই নয়, মন কেমনের কথাও এদিন উঠে এল শ্রীলেখার ফেসবুকে। এদিন এক ফেসবুক বন্ধুর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে আসে প্রয়াত বাবা-মাকে কতখানি মিস করছেন তিনি। এমনকি ‘যাওয়ার তাড়া’র কথাও বলেন শ্রীলেখা। সে সূত্রেই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘সিরিয়াসলি আর কটা দিন বলো, সব শখ পূরণ করে তবে যাব।’ শ্রীলেখার মুখে মৃত্যুর কথা পছন্দ হয়নি বন্ধুর। তিনি বলেন, শখ পূরণ করা অবশ্যই উচিত, তবে যাওয়ার তাড়া কেন? জবাবে শ্রীলেখা লেখেন, ‘বাবা-মায়ের সাথে দেখা।’

default-image

শ্রীলেখার মুখ থেকে এমন আবেগতাড়িত কথা শুনে মন ভার তাঁর অনুরাগীদেরও।
কয়েক দিন আগেই শ্রীলেখা মিত্রর পরিচালনায় তৈরি ‘এবং ছাদ’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনী হয়েছে ‘বেঙ্গালুরু কোলাজ’ চলচ্চিত্র উৎসবে। এই চলচ্চিত্র উৎসবে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে শ্রীলেখার ছবিটি। অন্যদিকে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন। সব মিলিয়ে বেশ ভালোই সময় কাটছে শ্রীলেখার।

শ্রীলেখা মিত্রের বাবার বাড়ি বাংলাদেশের মাদারীপুরে। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৮ সালে কলকাতার ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিতে বাংলাদেশের ফেরদৌসের সঙ্গে অভিনয় করে দৃষ্টি কাড়েন। বাংলাদেশে তাঁর পরিচিতি আরও বেড়ে যায় রিয়েলিটি শো ‘মীরাক্কেল’-এর বিচারক হওয়ার সুবাদে।

default-image

বাংলাদেশ থেকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রতিযোগী। পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্তের সঙ্গে বরাবরই বিচারকের আসনে দেখা গেছে ভারতের এই সুপরিচিত অভিনয়শিল্পীকে। অবশ্য সর্বশেষ ‘মীরাক্কেল’-এ শ্রীলেখা ছিলেন না।

টালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন