এরপর ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাবার্তা শুরু হয়। বন্ধুত্ব গড়ায় প্রেমে। এভাবেই তাঁদের প্রেমের শুরু। ভালোবেসে একে অপরের হাত ধরে ছিলেন। ২০২১–এ যখন আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা, তখনো হাতটি ছাড়েননি সব্যসাচী। কেমোথেরাপির জন্য ঐন্দ্রিলার চুল কেটে ফেলতে হয়। তাঁকে খুশি রাখতে নিজের চুলও কেটে ফেলেছিলেন সব্যসাচী। এতটাই ভালোবেসে ছিলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা দুজনেই ছিলেন সক্রিয়। একসঙ্গে বিভিন্ন ছবি পোস্ট করতেন। তাঁদের এই ভালোবাসা টিকল মাত্র পাঁচ বছর। সব্যসাচীর হাতটা ছেড়ে দিলেন ঐন্দ্রিলা। তাঁকে একা রেখে পাড়ি জমালেন না–ফেরার দেশে। ঐন্দ্রিলা ব্রেন স্ট্রোক করার পর থেকে সব কাজ ছেড়ে হাসপাতালে তাঁর কাছাকাছি ছিলেন। দিয়েছিলেন সাহস। করছিলেন অলৌকিক কিছু হওয়ার প্রার্থনা। কিন্তু হলো না।

হাসপাতালে ঐন্দ্রিলার সংবাদ প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানাচ্ছিলেন, তাঁর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করতে বলছিলেন। কিন্তু শনিবার রাতে সব পোস্ট ডিলিট করে দেন সব্যসাচী। তিনি হয়তো বুঝে গিয়েছেন সময় শেষ। আর তাঁকে ধরে রাখা যাবে না। ঐন্দ্রিলা মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁর আইডিটাও নেই।