২০১৯ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ায় ভিসা বাতিল হয় বাংলাদেশের নায়ক ফেরদৌসের । দেশে ফিরতে বাধ্য হন তিনি। ফলে সেখানকার সিনেমায় কাজের সুযোগ হারান তিনি। সেই সময় কলকাতায় শরৎ চন্দ্রের ‘দত্তা’সহ বেশ কয়েকটি ছবির শুটিং চলছিল তাঁর। প্রযোজক বিপদে পড়তে পারেন, সে কথা মাথায় রেখে সে সময় কলকাতার সব কটি ছবি থেকেই নিজেকে সরিয়ে নেন ফেরদৌস।

প্রায় তিন বছর পর চলতি বছরে এপ্রিলের দিকে ভারতের ভিসা পান ফেরদৌস। এরপর নতুন করে আবার ভারতের ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন এই অভিনেতা।

দীর্ঘদিন পর ভারতীয় ছবিতে ফিরতে পেরে নিজের ভালো লাগার কথা জানালেন ফেরদৌস।  বলেন, ‘কলকাতার ছবিতে আবার কাজে ফিরতে পেরে নিজের কাছে খুব ভালো লাগছে। কারণ আমার সিনেমার ক্যারিয়ারের শুরুতেই আমি দুই বাংলার ছবিতে সমানভাবে কাজ করে গেছি। আমি সব সময়ই মনে করেছি, সিনেমায় আমার দ্বিতীয় বাড়ি কলকাতা। সেখানকার প্রচুর শিল্পী, কলাকুশলীরা আমার কাছের মানুষ। কিন্তু একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে আমি ভারতে কালো তালিকাভুক্ত হয়েছিলাম। এরপর সেখানকার সিনেমায় আমার আর কাজের সুযোগ ছিল না। এখন আবার সেই সুযোগ হলো।এটি আমার কাছে পুরোনো বাড়িতে ফিরে যাওয়ার মতো ব্যাপার মনে হচ্ছে।’

ছবিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার একজন প্রভাবশালীর চরিত্রে দেখা যাবে ফেরদৌসকে। তিনি বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে আমাকে ভিসা দিয়ে ভারত সরকার কালো তালিকা থেকে আমার নামটি বাদ দেয়। এরপর বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজের প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি মনে করেছি, অনেক দিন পর যেহেতু ফিরব, তাই একটা ভালো গল্পের ছবি দিয়ে আমাকে ফিরতে হবে। সে রকম গল্পের ছবি এটি।’

ছবিতে ফেরদৌসের বিপরীতে অভিনয় করবেন কলকাতার শ্রাবন্তী। তা ছাড়া এই ছবিতে বাংলাদেশের রোশানও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন। তাঁর নায়িকা প্রিয়াঙ্কা সরকার।