ব্রাত্য বসুর ‘ডিকশনারি’ ছবিতে অভিনয় করে আলোচিত হয়েছিলেন অভিনেতা মোশাররফ করিম। এরপরই পরিচালক ‘হুব্বা’ ছবির জন্য মোশাররফ করিমকে চুক্তিবদ্ধ করেন। এর আগে ব্রাত্য বসু ভারতীয় গণমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে বলেন, ‘ডিকশনারি’-তে পুরোদস্তুর সম্পর্কের গল্প বলেছিলাম, এবারের ছবির প্রেক্ষাপট রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা। এটিকে পলিটিক্যাল থ্রিলার বলা যায়।

ছবির শুটিং আরও আগে শুরু হলেও মোশাররফ করিমের অংশের শুটিং শুরু হয়েছিল ১১ অক্টোবর। তার আগেই মোশাররফ করিমের লুক প্রকাশ করেছিলেন নির্মাতারা। হুব্বা ও পুলিশের দ্বৈরথ নিয়ে এই ছবির গল্প। সুপ্রতিম সরকারের ‘আবার গোয়েন্দাপীঠ’ অবলম্বনে ছবির চিত্রনাট্য করেছেন পরিচালক নিজেই। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, পৌলোমী বসু।

শোনা যায়, ৭০টা মোবাইল ফোন ব্যবহার করত হুব্বা। পুলিশের হাতে তিনবার গ্রেপ্তার হয়েও জামিনে ছাড়া পান তিনি। ২০১১ সালে হঠাৎ তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। এর জন্য তার দুই স্ত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিল যে শ্যামলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর বেশ কিছুদিন পর বৈদ্যবাটির খালে হুব্বা শ্যামলের পচা গলা লাশ ভেসে ওঠে।