১৪ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন শর্মিলা, প্রযোজক ঋতুপর্ণা

বলিউড অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবার ফিরছেন বাংলা চলচ্চিত্রে। এই বাঙালি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৫৯ সালে সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘অপুর সংসার’–এর মধ্য দিয়ে। এই শর্মিলা ঠাকুরের বেড়ে ওঠা, শৈশব, পড়াশোনা কলকাতাকে ঘিরেই।

কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে ‘পুরাতন’ ছবিটি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শর্মিলা ঠাকুর ও ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত
ছবি : ভাস্কর মুখার্জি

বাঙালি মাতা–পিতার এই সন্তান ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলী খান পতৌদিকে ১৯৬৮ সালে বিয়ে করেন। আর ২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পতৌদি প্রয়াত হন তিন সন্তানকে রেখে। তাঁরা হলেন সাইফ আলী খান, সাবা আলী খান ও সোহা আলী খান। সাইফ আলী খান আবার বিয়ে করেন অভিনেত্রী করিনা কাপুরকে।

আরও পড়ুন
ঋতুপর্ণা
ছবি : সংগৃহীত

শর্মিলা ঠাকুর অবশ্য বিয়ের পর মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তবুও তাঁর স্মৃতিপটে এখনো সেরা শহর হিসেবে ভাসছে কলকাতা। তাই তো মাঝেমধ্যেই কলকাতায় ছুটে আসেন এই ৭৮ বয়সী প্রবীণ অভিনেত্রী। ১৪ বছর বাংলা চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকার পর এবার তিনি সম্মত হলেন বাংলা ছবিতে অভিনয় করার জন্য। ছবির নাম ‘পুরাতন’। ছবির পরিচালক সুমন ঘোষ, প্রযোজক টালিউড তারকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ২০০৯ সালে সর্বশেষ বাংলা ছবি ‘অন্তহীন’–এ অভিনয় করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন
শর্মিলা ঠাকুর
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

সুমন ঘোষের এই ছবিতে শর্মিলার সঙ্গে মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। মা–মেয়ের সম্পর্ককে উপজীব্য করে এই ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর শর্মিলার জন্মদিনকে সামনে রেখে শুরু হবে ‘পুরাতন’ ছবির শুটিং। ছবিতে শর্মিলার মেয়ে ঋতুপর্ণার স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করবেন অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত।

কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে ‘পুরাতন’ ছবিটি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে শর্মিলা ঠাকুর
ছবি : প্রথম আলো

গতকাল শুক্রবার সুমন ঘোষের এই নতুন ছবির নাম ঘোষণা নিয়ে কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে শর্মিলা ঠাকুর, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তসহ ছবির কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
ছবি: প্রথম আলো

সেখানেই শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘আজও আমার হৃদয়ে কলকাতা জেগে আছে। আমি কলকাতাকে ভালোবাসি। আমার লেখাপড়া, অভিনয়জীবন—সবই শুরু এই কলকাতাকে কেন্দ্র করে। তাই তো আমি এই ছবির পান্ডুলিপি পড়ে মুগ্ধ হয়ে অভিনয় করার জন্য সম্মতি দিয়েছি। আমি মনে করি, এই ছবি ভালো লাগবে কলকাতার চলচ্চিত্রপ্রেমীদের।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজও কলকাতা আমার প্রাণের শহর। এক নস্টালজিয়া।’

আরও পড়ুন