বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শর্মিলী আহমেদ বলেন, ‘৫ দিন আগে আমার বোন ও বোনজামাইয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, আমার বোনের অবস্থা গুরুতর ছিল। তার শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল। অক্সিজেন কম পাচ্ছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এখন তারা কিছুটা শঙ্কামুক্ত। কেবিনে আছে। আগের চেয়ে ভালো। চিকিৎসকেরা বলেছেন, আপাতত ভালো আছে তারা। কোনো জটিলতা নেই। দেশের সবার কাছে আমার বোন এবং তার জামাইয়ের জন্য দোয়া চাই। তারা যেন সুস্থ হয়ে দ্রুত বাসায় ফিরতে পারে।’

default-image

করোনা শুরুর পর থেকে রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিক জলি বাসা থেকে বের হননি। এই সময় কোনো শুটিংও করেননি। ঘরে বসে অনলাইনেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। করোনার মাত্রা কমলে ওয়াহিদা মল্লিক জলি টুকটাক শুটিং শুরু করেন। শর্মিলী আহমেদ বলেন, ‘ও (ওয়াহিদা মল্লিক জলি) শুটিং শুরু করার পরেই আমাকে বলেছিল, শুটিং ইউনিটের কেউ মাস্ক পরে না, কেউ করোনার নিয়ম মানে না, এটা তো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। '

default-image

তিনি আরও বলেন, ‘সর্বশেষ এই মাসের মাঝামাঝির দিকেে শুটিং থেকে ফিরেই ফোন দিয়ে বলল, ঝুঁকি নিয়ে আর শুটিং করা যাবে না। তার দুই দিন পরেই জানাল, খাবারে কোনো স্বাদ পাচ্ছে না, নেই গন্ধ, নিশ্বাসেও কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। তখন বলি, আলাদা রুমে থাকতে। কোভিড ধরা পড়লে দ্রুত তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলি। এটা নিশ্চিত, শুটিং থেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আমার বোন। পরে তার জামাইও আক্রান্ত হয়।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন