default-image

মোশাররফ করিম বলেন, ‘তখন কী ভাবব? আসলে আমি কিছুই ভাবিনি। শুধু এটাই ভাবছিলাম, আমাদের বিয়েটা হয়ে গেলে ভালো হয়। পারিবারিকভাবে বিষয়টা কোন দিকে যায়, সেটাই দেখছিলাম। সময় গেলেও পরে সবাই রাজি হয়েছিল। পরিবারগুলো আমাদের সম্পর্ক মেনে নিল। আমরা বিয়ে করলাম। জীবন চলে যাচ্ছে। এসব নিয়ে আমি কখনোই পেছনে তাকাই না। তখনো দারুণ সময় গেছে, এখনো দারুণ সময় যাচ্ছে। সামনেও আমাদের দারুণ সময় যাবে।’ প্রেম করার সেই দিনগুলোর সময়ে আপনাদের মধ্যে কী ধরনের উপহার লেনদেন হতো? সরাসরি মোশাররফ করিম বলেন, ‘আমি জুঁইকে কখনোই তেমন কোনো উপহার দিইনি। ওকে গিফট করতাম না। এর কারণ, আমি তেমন গোছানো ছিলাম না। কিন্তু জুঁই আমাকে অনেক উপহার দিয়েছে। তার দেওয়া আংটি আমি এখনো যত্ন করে রেখেছি।’

default-image

সিনেমায় পালিয়ে বিয়ে করা দেখলেও বাস্তবে কখনোই পালিয়ে বা বাবা-মাকে কষ্ট দিয়ে কখনোই বিয়ের কথা চিন্তা করেননি রোবেনা জুঁই। তিনি বলেন, ‘আজকের দিনেই আমাদের বিয়ের জন্য পরিবার থেকে স্বীকৃতি পাই। এর আগে পরিবারের লোকজন বিয়েতে রাজি ছিল না। বিশাল একটা বাধা ছিল। সব দিক থেকে চাপ ছিল। বিয়ে নিয়ে কী হয়, এই নিয়ে অনেক চিন্তা হতো। কী হয়, এসব ভেবে খারাপ লাগা কাজ করত। মানসিকভাবে স্বস্তি পাচ্ছিলাম না। পরে একসময় পরিবারের লোকজন রাজি হলো। তখন দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়লাম। কিন্তু আমাদের দুজনেরই আত্মবিশ্বাস ছিল পরিবারের লোকদের জানালে তারা মেনে নেবেই। এ জন্য আমরা অপেক্ষা করতে রাজি ছিলাম; কিন্তু পরিবারের অমতে, তাদের কষ্ট দিয়ে পালিয়ে বিয়ের কথা ভাবিনি।’

default-image

বিশেষ এই দিনে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে ঢাকার বাইরে রয়েছেন এই তারকা দম্পতি। বলতে গেলে এটাই বিশেষ। একসঙ্গে কাটানো দীর্ঘ এই সময় কেমন ছিল? এই প্রশ্নে রোবেনা জুঁই বলেন, ‘দুঃখ-বেদনা-অভিমান-ঝগড়া, সবকিছুই থাকে। কিন্তু সময়টা ভালোভাবে উপভোগ করাই আসল। দুইটা মানুষের সব সময় এক রকম যায় না। একসঙ্গে চলতে গেলে ৫টা বিষয় মিলবে, বাকি ১০টা বিষয় মিলবে না, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও যার যার জায়গা থেকে শ্রদ্ধা-সম্মান করে একসঙ্গে থাকাটাই জীবন মনে হয়। তা ছাড়া জীবন দুর্বিষহ আমার কাছে। সেই জায়গা থেকে আমরা সফল। সব সময় চেষ্টা করেছি ভালো লাগার মুহূর্ত তৈরি করতে।’

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন