বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে পুরো কাজ তুলে আনাটা তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানালেন শিহাব শাহীন। অনেক বড় পরিসরের কাজ। শুটিংয়ে নেমে নির্ধারিত শিডিউলের আরও দেড় গুণ শিডিউল বাড়তি দিতে হয়েছে। সেই যুদ্ধে শিল্পীরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

default-image

বলেন, ‘শিল্পীদের সহযোগিতা না পেলে কাজটি হয়তো শেষ করতে পারতাম না। এমনও হয়েছে, নিশো ও সিয়াম টানা দুই দিন না ঘুমিয়েও কাজ করেছেন। থানার মধ্যে শুটিং করতে গিয়ে সকালে ঢুকেছেন, পরের দিন সকাল নয়টায় সেট থেকে বেরিয়েছেন। এখন কাজটি দর্শকের কাছে ঠিকঠাক পৌঁছালে সব পরিশ্রম, সব কষ্ট ভুলে যাব আমরা।’ শিহাব জানালেন, কোনো কোনো জায়গায় শুটিং করতে বাধার মুখেও পড়তে হয়েছে।

শোনা যায়, শুটিং করতে গিয়ে আপনি নাকি হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন? জানতে চাইলে শিহাব শাহিন বলেন, ‘ঠিক তেমন নয়। তবে কয়েকজন ফোন দিয়েছিলেন। তাঁদের কণ্ঠে বেশ জোরই ছিল। জানতে চেয়েছেন, এটি তিন্নি হত্যাকাণ্ডের গল্প কি না। আমি বলেছি, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক গল্প এবং এই দশকের গল্প।’ পরিচালক জানালেন, পুরান ঢাকা, উত্তরা, আশুলিয়া, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের লোকেশনে টানা ২১দিন শুটিং হয়েছে।

‘মরীচিকা’ ওয়েব সিরিজটি পরিচালক শিহাব শাহীনের কাছে একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। পুরো সিরিজের ইংরেজি সাবটাইটেল করে দিয়েছেন তাঁরই মেয়ে শাদিদ শিহাব সফেন। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি আব সিডনিতে ভাষাতত্ত্বে স্নাতক করছেন তিনি। বিভিন্ন দেশের ভাষা অনুবাদ করা তাঁর পড়াশোনার একটি বড় অংশ। তাঁকে সিরিজটির সাবটাইটেল করতে বললে তিনি রাজি হয়ে যান। বলেন, ‘কাজটি করতে তার পাঁচ দিন লেগেছে। এ ধরনের কাজ সফেনের প্রথম। কিছু কিছু সংলাপ আমার কাছ থেকে বুঝে নিয়েছে। দেখার পর আমার কাছে সাবটাইটেলটি আন্তর্জাতিক মানের মনে হয়েছে।’
‘মরীচিকা’ সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন মাহিয়া মাহি, জোভান, নরেশ ভূঁইয়া, নাজনীন চুমকি, আবদুল্লাহ রানা, শিমুল খান প্রমুখ।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন