অনুষ্ঠান–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রে তৈরি ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। উপস্থাপক ফেরদৌস জানান, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় এ অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন চট্টগ্রামের শিল্পীরাই। আবার চট্টগ্রামেরই বরেণ্য শিল্পী কবরী, শাবানা, আইয়ুব বাচ্চুদের সম্মাননা জানিয়ে আছে একাধিক পরিবেশনা।

default-image

ফেরদৌস আরও বলেন, ‘যেকোনো প্রথমের অংশ হওয়াটা নিঃসন্দেহে অনেক বেশি সম্মান ও গৌরবের। বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে যখন “আনন্দমেলা” অনুষ্ঠান করার উদ্যোগের কথা আমাদের জানানো হয়, সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। আমি কুমিল্লার তথা বৃহত্তর চট্টগ্রামেরই। আমার উপস্থাপক বন্ধু পূর্ণিমা তো চট্টগ্রামের মেয়ে। এ অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে গিয়ে ওর কাছ থেকে চট্টগ্রামের ভাষা নিয়ে অনেক মজা হয়েছে। অনেক কিছু আমাকে শিখিয়েছেও।’

default-image

চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে নির্মিত ‘আনন্দমেলা’ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেছেন নকীব খান, ব্যান্ড এফ মাইনর। আর বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নিয়েছেন রোজিনা, ফেরদৌস, পূর্ণিমা, মিস্টার বাংলাদেশ ফাহিম, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ তোরসা। রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রামের বোট ক্লাব এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্রে দুদিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের শুটিং হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র থেকে নির্মিত ‘আনন্দমেলা’ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানও পাঁচবার উপস্থাপনার অভিজ্ঞতা রয়েছে ফেরদৌস ও পূর্ণিমার। ফেরদৌস বলেন, ‘ঈদের বিশেষ এই ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করতে পারাটা ভীষণ আনন্দ ও সম্মানের। ‘আনন্দমেলা’ বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, এবার সেটি তৈরি হলো টেলিভিশনটির চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকেও। একটা সময় আমরা নিজেরাই এই অনুষ্ঠান দেখার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতাম। প্রস্তুতি নিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে দেখতে বসতাম। সেই অনুষ্ঠানে এখন নিজেই উপস্থাপনা করছি। এই ভালো লাগার কথা বলে বোঝানো যাবে না।’

default-image

ফেরদৌস এও জানিয়ে রাখলেন, বেশ বড় আয়োজনে আনন্দমেলা অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে। ঈদের সময় দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেবে। পুরো অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পরিবেশনার কোরিওগ্রাফি করেছেন ইভান শাহরিয়ার।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন