‘আর্কিটেকচার রিলেটেড কিছুতে পিএইচডি করার ইচ্ছাটা রয়ে গেছে’
‘আর্কিটেকচার রিলেটেড কিছুতে পিএইচডি করার ইচ্ছাটা রয়ে গেছে’ অপি করিম
শান্তি ও উন্নয়নে শিক্ষার অবদান তুলে ধরার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৮ সালে প্রতিবছর ২৪ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। এই দিবস নিয়ে কথা হয় মডেল ও অভিনয়শিল্পী অপি করিম–এর সঙ্গে। জানালেন তাঁর শিক্ষাজীবনের কথা। এও জানালেন, পেশাগত ব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই আবার পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত হবেন। নিজের আরও উন্নয়ন ঘটাতে চান
আমার একজন মামা ছিলেন, নাম আহসান। আমি যখন একেবারে ছোট, তখন তিনি বুয়েটে পড়তেন। তাঁর কাছেই আমার হাতেখড়ি। ওই মামা আর্কিটেকচারে পড়তেন। মামাকে দেখেই আমি ছোটবেলায় বলতাম, বাড়ি বানাব। আমার সেই আহসান মামা এখন আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের টিচার। আমিও বুয়েটে ভর্তি হয়ে তাঁকে টিচার হিসেবে পেয়েছি। বুয়েটের পড়াশোনা শেষে জার্মানির বাহাউজে পড়েছি। এরপর ওখানকার আনহাল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচারে দুই বছরের একটা মাস্টার্স করলাম।
আমি জীবনে যা পড়তে চেয়েছি, যখন পড়তে চেয়েছি—সবই হয়েছে। বুয়েটে পড়ব, আর্কিটেকচারে পড়ব—এ কারণে আমি ইন্টারমিডিয়েটে বায়োলজি নিইনি। আমি জানি, বায়োলজি নিলে বুয়েটে চান্স না পেলে আম্মা আমাকে কোনো না কোনো মেডিকেল কলেজে ভর্তি করিয়ে দেবেন। তখন সরকারি মেডিকেলের পাশাপাশি অনেক প্রাইভেট মেডিকেল কলেজও ছিল। কিন্তু আমি বুয়েটেই পড়ব। ওই রকম একটা চিন্তা ছিল। বুয়েট থেকে পড়ে বাহাউজে পড়লাম।
এরপর পোস্টগ্র্যাজুয়েশন শেষ করে দুই বছরের একটা মাস্টার্স করলাম, জার্মানিতে ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচারে। এগুলো এমন নয় যে চাইনি। ইচ্ছা ছিল পিএইচডি করার। এখন সাহসের অভাব মনে হয়। আগে যেমন ধুপধাপ ডিসিশন নিতে পারতাম, এখন তা পারি না। চাকরিতে ঢুকে গেলে, নিজের একটা অফিস চালু করলে, পারিবারিক নানা কাজে যুক্ত হয়ে গেলে সত্যিই হয় না। তবে সুযোগ পেলে ইউরোপের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে, না হয় নিউজিল্যান্ডে আর্কিটেকচার রিলেটেড কিছুতে পিএইচডি করার ইচ্ছাটা রয়ে গেছে।