বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কলেজ খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর থেকে বন্ধুরা দীঘির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সবাই আবদার করছেন, তাঁকে কলেজে আসতেই হবে। গতকাল দীঘি বলেন, ‘বন্ধুরা অনুরোধ না করলেও আমি কাল কলেজে যাব। আহ, কত দিন কলেজ দেখি না। পারলে সবার আগে আমি কলেজে গিয়ে বসে থাকব।’

default-image

কলেজ খোলা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে মজার ঘটনা ঘটেনি? ‘হ্যাঁ। অনেক দিন কলেজে যাওয়া হয় না। বন্ধুরা কেউ কলেজের পোশাক হারিয়ে ফেলছে কি না, হারিয়ে খুঁজে পেয়েছে কি না—এসব নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক মজা করছি। তবে আমার কলেজ ড্রেস, ব্যাগ, জুতা সব রেডিই ছিল। কোনো কিছুই খুঁজতে হয়নি।

এককথায় কলেজ খোলায় আমরা সবাই এক্সসাইটেড,’ হাসিমুখে কথাগুলো বলেন দীঘি।
করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন কলেজে যেতে হয়নি। এই সময় সহপাঠীদের কতটা মিস করেছেন? দীঘি বলেন, ‘প্রথম প্রথম খুবই খারাপ লাগত। আমাদের কলেজ–ভাগ্য খারাপ। মাত্র কলেজে ক্লাস করা শুরু করেছি। পড়াশোনার পাশাপাশি গালগল্প, আড্ডা জমছে। সবার সঙ্গে ভালোভাবে পরিচয় হচ্ছে, এমন সময় করোনা শুরু হয়। ভাবতাম শিগগির আবার যাব। কিন্তু এতটা সময় কেটে যাবে, ভাবিনি। ক্লাসের ফাঁকে আড্ডা, টিফিন, বিরতি—সবকিছু মিস করেছি। এখন আবার কলেজ খুলছে। যত দিন ক্লাস হয়, আফসোসগুলো পুষিয়ে নেব।’

default-image

কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সবাই তাঁকে সহযোগিতা করতেন। সবার সঙ্গে নিমেষেই মিশে যেতেন দীঘি। অভিনেত্রী পরিচয়টা ভুলে যেতেন। তিনি বলেন, ‘কলেজের সহপাঠী ও শিক্ষক—সবার সঙ্গেই আমার ভালো খাতির। অনেকেই মনে করে, আমি একটু কিপটে। আমার সঙ্গে এটা করা হবে না, ওটা করা হবে না। কিন্তু দিন শেষে সবাই আমাকে সহযোগিতা ও ভালো করার ব্যাপারে পরামর্শ দেয়। আবার আমি যে অভিনয় করি, সে জন্য সম্মানও করে।’

default-image

২০১৯ সালে এসএসসি পাস করে ঢাকার স্ট্যামফোর্ড কলেজে ভর্তি হন দীঘি। এবার এইচএসসি চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেবেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর সিনেমার শুটিং শুরু হবে। পড়াশোনার ফাঁকে শুটিংয়ে অংশ নেবেন। দুটোই তিনি মনোযোগ দিয়েই করে যেতে চান।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন