বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মামুনুল বলেন, ‘আমি “চড়ুইভাতি” দিয়ে অভিনয় শুরু করেছিলাম। ২০০২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ৫ বছর কাজ করেছি। পরে ২০০৮ সালে ইউনিসেফে চাকরি নিয়ে দেশের বাইরে চলে যাই। সেখানে বেশ কয়েক বছর থাকতে হয়। ফিরে দেখি, নাট্যাঙ্গনে কাজের পরিবেশ বদলে গেছে। আমিও আমার পেশার কারণে ব্যস্ত হয়ে গেছি। কাজের জায়গায় প্রচুর সময় দিতে হয়। সেই কারণেই অভিনয় আর কনটিনিউ করা হয়নি। আর অভিনয়টা কখনোই আমার মূল পেশা ছিল না। অনেকটা শখের বশেই অভিনয় করতাম।’

default-image

তবে অভিনয়ের প্রতি এখনো মামুনুলের টান রয়েছে। তিনি বলেন, ‘চরিত্র, গল্প পছন্দ হলে এখনো অভিনয় করব। এই প্রজন্মের নির্মাতাদের সঙ্গে অনেক বড় একটা গ্যাপ হয়ে গেছে। অনেকে আমাকে হয়তো চেনেনই না। কেউ কেউ আবার কাজের জন্য নকও করেন। ২০১৩ সালে মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীর এক সহকারীর একটি নাটক করেছিলাম। ২০২০ সালে “পাতালঘর” নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছি।’

অভিনয় না করার জন্য তেমন একটা আফসোস অবশ্য মামুনুলের নেই। তবে আফসোস না থাকলেও অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা আছে। বিদেশের মাটিতে বসেও সেটা বুঝতে পারতেন। দেশে ফিরেও ক্যামেরার প্রতি টানটা অনুভব করেন। এখনো বাইরে বের হলে দর্শক তাঁর কথা এবং হাসি শুনে জানতে চান, ‘আপনি কি “চড়ুইভাতি”র নায়ক?’ তখন মামুনুলের মনে হয়, অভিনয়টা করলে মন্দ হতো না। তিনি বলেন, একজন অভিনেতা একবার যদি অভিনেতা হন, সারা জীবনই তিনি অভিনেতা।

default-image

দীর্ঘদিন পরে সম্প্রতি বিয়ে করে খবরে আসেন মামুনুল হক। তাঁর স্ত্রী হাবিবা রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। দুজনের কমন বন্ধুদের মাধ্যমে ২০১৬ সালে তাঁদের পরিচয়। আড্ডা, গালগল্পের মধ্য দিয়ে একে অন্যকে আরও ভালোভাবে জানার সুযোগ ঘটে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন