default-image

অমিতাভ রেজা চৌধুরী নির্মিত একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে ‘হু টোল্ড ইউ, অয়েল ইয়োর ওউন মেশিন’ সংলাপটি পরিচিতি এনে দিয়েছিল অভিনেতা শরিফুলকে। ইতিমধ্যে বহু নাটকে অভিনয় করেছে সে। এবার শাকিব খান, বিদ্যা সিনহা মিম, মেহজাবীনদের পথে হাঁটছে ছোট্ট শরিফুল। এই তারকাদের অনুসরণ করে নিজের মতো ভিডিও বানাবে বলে ইউটিউবে চ্যানেল খুলেছে সে।

শরিফুল অভিনীত নাটকগুলো ইউটিউবে দেখা হয় লাখ লাখ বার। অনেক দর্শক মন্তব্য করে নিজেদের মত জানান, প্রশংসা করেন। নিয়মিত সেসব মন্তব্যের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করে সে। ভক্তদের সঙ্গে এভাবেই যোগাযোগ গড়ে তুলতে চায় সে। এভাবেই তার মাথায় আসে নিজের ইউটিউব চ্যানেল খোলার পরিকল্পনা। শরিফুল বলে, ‘দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে আমার ভালো লাগে। অহন তো অনেক তারকারে দেহি ইউটিউব চ্যানেল খুলতাছে। তাঁরা নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ভিডিও দেন। আমারও অনেক ভিডিও দর্শক পছন্দ করে। সেই রহম ভিডিও বানায়ে আমিও ছাড়ব।’ কাদের ইউটিউব চ্যানেল দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছ? জানতে চাইলে সে বলে, ‘আমাগো দেশের বড় নায়ক শাকিব খান ভাইয়ের চ্যানেল আছে। নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম আপা, মেহজাবীন আপা, টয়া, সাফা কবির আরও তারকারা চ্যানেল করতাছে। এই জন্য আমিও করলাম। নিজের একটা চ্যানেল করলে তো আর লস নাই, এর লাইগাই নিজেই করছি। কিছু টাকা আয় হলে তো পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারমু।’

বিজ্ঞাপন
default-image

শরিফুলের ইউটিউব চ্যানেলের নাম শরিফুল অফিশিয়াল। সে নিজেই ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখে চ্যানেলটি খুলেছে। মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে শুটিং করে বেশ কিছু ভিডিও বানিয়ে ইতিমধ্যে পোস্ট করেছে ইউটিউবে। প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও ভিডিও বানানোর। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের অভিনীত নাটকের মজার দৃশ্যগুলো সেখানে পোস্ট করবে সে। শরিফুল জানায়, ইউটিউবে যে নাটকগুলো প্রচারিত হয়, এসবে সবচেয়ে বেশি অভিনয় সে–ই করে। তার অভিনীত যে কাজগুলো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, সেই ধরনের স্বল্পদৈর্ঘ্য, সচেতনতামূলক ভিডিও ও খণ্ডনাটক ইউটিউবের জন্য বানাবে সে। শরিফুল বলে, ‘এমন তো না যে, সব সময় অভিনয় করতে পারমু। এমনও হইতে পারে, মানুষ কাজে ডাকছে না। তখন নিজের চ্যানেলের জন্য অভিনয় করমু।’

default-image

পরিবারের বয়স্ক ও কর্মক্ষম সদস্য থাকলেও তার আয়েই সংসার চলে। আগে তার বাবার একটি খাবারের দোকান ছিল। দোকানের আয় থেকেই চলত তাদের সংসার। বাবা মারা যাওয়ার পর সেই দোকান চালাতেন তার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম। নিয়মিত ছোট ভাইকে শুটিংয়ে আনা-নেওয়া করতেন আরিফুল। এ কারণে প্রায় দুই বছর হলো দোকানটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এখন শরিফুল যা আয় করে, তা দিয়েই চলে সংসার। এ জন্য খেয়ে-পরে বাঁচতে করোনার মধ্যেও তাকে কাজে যেতে হচ্ছে। শরিফুল বলে, ‘আমি সব সময় পরিবারের লাইগা কাজ করি। তারা ভালো থাকলেই তো আমি ভালো থাকব। এখনো মাসের বেশির ভাগ সময় কাজ করি। এটাই আমার বড় পাওয়া। মানুষ আমাকে পছন্দ করে।’

ফেব্রুয়ারি মাস থেকে টেলিভিশন ও ইউটিউবের নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে শরিফুলকে। রোববার থেকে ‘সে আমার মন চুরি করেছে’ নাটকে কাজ শুরু করেছে সে। নাটকটি পরিচালনা করছেন তন্ময় খান। নাটকটিতে আরও অভিনয় করছেন সজল।

default-image
বিজ্ঞাপন
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন