সজল ও পূর্ণিমার পরিচয় প্রায় এক যুগ আগে। একসঙ্গে ‘কুইন’, ‘অন্ধজনে অন্ধক্ষণে’, ‘নন্দনী ও অসমাপ্ত গল্প’সহ অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন। সেই থেকেই তারা ভালো বন্ধু। সজল বলেন, ‘পূর্ণিমার সঙ্গে আমার ভালোবাসার সম্পর্কটা অনেক বেশি। পূর্ণিমাকে অনেক আগে থেকেই পছন্দ করি। সেই মানুষটাই পছন্দ করার মতো। একসঙ্গে শুটিংয়ে আমরা অনেক মজা করতাম। একবার শুটিং করতে কাদার মধ্যে পড়ে গেলাম, গায়ে কাদা লাগল। সবাই আমার কষ্ট দেখে চিন্তিত। কিন্তু সে (পূর্ণিমা) হাসছে। সে সব সময় মজা করতে পছন্দ করে। কাজের জায়গা থেকে আমাদের এই সম্পর্ক। আমরা ভালো বন্ধু। যে কারণে হঠাৎ ওর কথা মনে হলো। ভাবলাম আমাদের একটি ছবি দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করি।’

আর কী কারণে পূর্ণিমাকে এতটা পছন্দ করেন? এমন প্রশ্নে সজল বলেন, ‘শুটিং সেটে প্রাণবন্ত মানুষ খুব একটা দেখা যায় না। সেখানে পূর্ণিমা একজন এন্টারটেইনার। যদি কারও মুড অফ থাকে, সে মন ভালো করে দেবে—এ নিশ্চয়তা শতভাগ। সহকর্মী হিসেবে যেমন ভালো, ব্যক্তিগত জীবনে সে ভালো মানুষ। একবার পূর্ণিমার একটি শোতে গিয়েছিলাম। তখন ও প্রশ্ন করে ঢালিউডে আমার পছন্দের অভিনেত্রী কে? পূর্ণিমা জানত সে–ই আমার পছন্দের অভিনেত্রী। কিন্তু আমি পছন্দ করি শাবনূরকে। এটা শুনে ও বলতে ছিল এর পরে আমার নাম বলিস না (হাসি)। এটাকে সে সম্মান করেছে। আমাদের মাঝে বোঝাপড়া ভালো।’

ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ঈদে কমসংখ্যক নাটকে অভিনয় করছেন সজল। হাতে গোনা চার–পাঁচটি নাটকে দেখা যাবে। পরিচালকদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সজল বলেন, ‘ফেরদৌস হাসান রানা ভাইয়ের একটি নাটক ও মাবরুর রশিদ বান্নার দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা কাজ করব। গল্প দেখে এবার কাজ করছি। শিল্পীর জায়গা থেকে কতটা মনে রাখার মতো কাজ করছি, সেটাই ভাবছি। সামাজিক বার্তা আছে, এমন গল্পগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা তৈরি করছি। আরেকটি কারণ সামনে আমার ফিল্মে ব্যস্ততা বাড়ছে। এ সময়ে গতানুগতিক কাজে অভিনয় করতে চাইছি না।’ আজ সজল ও প্রভা অভিনীত ‘টাকা আমার লাভ কি’ নাটকটি আরটিভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। সর্বশেষ সজল জানান, ভারতের একটি চলচ্চিত্র উৎসব থেকে কাগজের মানুষ স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। এ ধরনের চরিত্রগুলোই তাঁকে টানে।