বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিম বলেন, ‘বিয়ের পরে শুটিং করছি, সংসার করছি সেই আগের মতোই। আমার কোনো কিছুতেই বাধা নেই। বেশ কিছুদিন হলো আমার স্বামী দেশের বাইরে পিএইচডি করতে গিয়েছেন। আমিও নাটক, বিজ্ঞাপনে অভিনয় নিয়ে নিজের মতো করে এগোচ্ছি। বিয়ের পরও আমার কাছে মনে হচ্ছে সিঙ্গেল লাইফ। বিয়ে বিয়ে ফিলই হচ্ছে না। যখন স্বামী-সংসারের কথা মনে পড়ে, তখন মনে হয়, ও আমি তো বিবাহিত।’

default-image

মিমের স্বামীর নাম ফাইরুজ চৌধুরী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষক। ১২ মার্চ ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই লাপাত্তা ছিলেন অভিনয়শিল্পী মিম মানতাসা। পরে জানিয়েছিলেন, দ্রুত সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ায় কাউকে জানাতে পারেননি। শ্বশুরবাড়ির লোকজন অভিনয় নিয়ে কী বলেন জানতে চাইলে মিম বলেন, ‘আমার হাজব্যান্ড, শ্বশুরবাড়ির লোকজন, কারোরই আমার অভিনয়ের ব্যাপারে কোনো আপত্তি নেই। তাঁরা সব সময় আমার অভিনয়কে অ্যাপ্রিশিয়েট করেন। বুঝতে পারি, তাঁরা আমাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁরা অনেক প্রাউড। এটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে।’

default-image

মিম সম্প্রতি শেষ করেছেন ‘আয়শা’ নামের একটি এক ঘণ্টার নাটকের কাজ। তাঁর সহশিল্পী আবদুন নূর সজল। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় একটিমাত্র ধারাবাহিকে সময় দিচ্ছেন। নাটকটির নাম ‘১০০-তে একশো’। এটি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে। মিম বলেন, ‘নাটকটি দর্শক পছন্দ করেছেন। অভিনয় করেও বেশ আনন্দ পাচ্ছি।’ ব্যক্তিগত জীবনে কোন বিষয়টিতে আপনি ‘১০০-তে ১০০’? এমন প্রশ্নে মিম হেসে বলেন, ‘কোনো কিছুতেই আমি অতটা ভালো নই। সবকিছুতেই অল্প অল্প। তা ছাড়া আমি নিজের প্রশংসা খুবই কম করি। আমার এমন কোনো গুণ নেই, যেটায় ১০০–তে ১০০ পাব।’

২০১৮ সালে ‘লাক্স সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন মিম মানতাসা।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন