বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রভা জানালেন, তিন মাস আগে ইমরান মাহমুদুলের স্টুডিওতে গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। প্রভা বললেন, ‘আম্মু গানটা শোনার পর খুশি হয়ে বাবাকেও শুনিয়েছেন। বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে।’

default-image

প্রভা জানালেন, পরিবার থেকে তাঁকে গান শেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি বললেন, ‘আমি কিন্তু অনেক ফাঁকিবাজ। তাই প্র্যাকটিস করা হতো না বেশি। গানের অনুষ্ঠানের দিন বলতাম, উপস্থাপনা করি? আমার হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান গাইতে ভয়ও লাগত। মনে হয়, খালি গলায় বেশি ভালো গাই।’

স্টুডিওতে গাইতে কেমন লেগেছে? ‘স্টুডিওতে গিয়ে অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে গাইতে নার্ভাস লাগছে। আমার মনে হয়, গানের ব্যাপারটা পুরোপুরি গড গিফটেড একটা ব্যাপার। আগে মনে হতো, এক দিনে বুঝি অনেকগুলো গান রেকর্ড করে ফেলা যায়। কিন্তু মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সব ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তবে ইমরান ছাড়া অন্য কেউ গানটি রেকর্ড করলে ধৈর্য হারিয়ে ফেলত। বন্ধু হওয়াতে বেস্ট উপায়ে আমার গানটা রেকর্ড করিয়ে নিয়েছে।’

default-image

প্রভা জানালেন, গানটি মা–বাবা দুজনের পছন্দ হওয়াতে ভিডিও তৈরির পরিকল্পনা করেন তিনি। কক্সবাজারে সেই গানের ভিডিও চিত্র তৈরি হয়েছে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন