বিজ্ঞাপন
default-image

১৬ মে হয়ে গেল মিঠুর ছেলের বিয়ে। বরযাত্রী ছিলেন মাত্র ছয়জন। তাঁদের সবাই কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়েই এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এমনকি ঘরের অনুষ্ঠানও করেছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে। মিঠু বলেন, ‘বাসায় একটা মেয়ে এসে আমার সংসারটা পূর্ণ করে দিল। মাথায় তেল দিয়ে দেওয়ার একজন মানুষ পাওয়া গেল। বিয়ের পরদিন সকালে নানা রকম খাবার টেবিলে সাজিয়ে মেয়ে আমাকে ঘুম থেকে তুলে খেতে ডেকেছে। খাবারের বহর দেখে যখন তাকে বললাম, মা, আমি প্রতিদিন শুটিংয়ের আগে এক টুকরা কেক আর এক কাপ চা খেয়ে বের হই। এসবেই আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। শুনে মেয়ে অবাক! আমার মনে হয়েছে, আমার কষ্ট বোঝার একজন মানুষ পাওয়া গেল। নাটকে যখন ছেলে বিয়ে দিয়ে বউ আনতাম, তখন মনে হতো, বাসায় ফিরে যদি এ রকম একটা বউ আমার দরজা খুলে দিত! বলত, আম্মা হাত-মুখ ধুয়ে আসেন, আমি খাবার দিচ্ছি। এখন হয়তো গভীর রাতে শুটিং শেষে বলতে পারব মা রে, আমার জন্য একটু গরম পানি করে রেখো, এসে খাব। আমার দুই ছেলে ব্যস্ত থাকে। এখন তো কথা বলার জন্য একটা মেয়ে পেলাম।’

default-image

ছেলের বিয়েতে সহশিল্পীদের আমন্ত্রণ করতে পারেননি মিঠু। এ নিয়ে তাঁর মন খারাপ। তিনি বলেন, ‘সহশিল্পীরা আমার আত্মার আত্মীয়। ছেলের বিয়েতে তাঁদের দাওয়াত করতে না পেরে নিজেরই খারাপ লেগেছে। যদিও পরিস্থিতির কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি। ইচ্ছা আছে, রিসেপশনে সবাইকে দাওয়াত দেব। এই মুহূর্তে কেউ প্লিজ ভুল বুঝবেন না। ছেলে ও বউকে দোয়া করবেন সবাই।’

ঈদুল ফিতরে ২০টির বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন মনিরা মিঠু। ‘যদি আমি না থাকি’, ‘পেপার গার্ল’, ‘তেজপাতা’, ‘দৌড়ের উপর ওষুধ নেই’, অ্যাওয়ার্ড’সহ কয়েকটি নাটক থেকে বেশ সাড়াও পেয়েছেন। প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিয়মিত শুটিংয়ের।

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন