বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

চঞ্চলের সঙ্গে অভিনয় করলেও আফজাল হোসেনের সঙ্গে এটি প্রথম কাজ নওশাবার। এ কারণে শুটিংয়ের দিনগুলো ছিল তাঁর কাছে বেশি রোমাঞ্চকর। নওশাবা বলেন, তাঁর মা ও খালার কাছে ক্রাশ ছিলেন আফজাল হোসেন। তাঁদের কাছ থেকেই আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মুস্তাফাদের চিনেছেন তিনি। নওশাবা আরও বলেন, ‘ছোটবেলায় দেখতাম, নাটকে আফজাল ভাই, সুবর্ণা আপাদের দেখে মা ও খালারা চিৎকার দিতেন। আমার মায়ের ক্রাশ ছিলেন আফজাল হোসেন। আর তাঁর সঙ্গেই আমার অভিনয়। এটি আমার জন্য একটি স্বপ্নপূরণ।’

default-image

শুটিংয়ে গিয়ে আফজাল হোসেনকে দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যান নওশাবা। তিনি বলেন, ‘ছোট একটি দৃশ্য। কোনো সংলাপ নেই। তিনি আমাকে অনুসরণ করেন। আমি একটি ফুল তুলব। কিন্তু তাঁর উপস্থিতির কারণে আমার হাত কাঁপছিল। ফুলটাই ঠিকমতো তুলতে পারছিলাম না। তাঁর সামনে ঠিকঠাক করতে পারছি কি না, এসব ভেবে সবকিছু ভুলে যাচ্ছিলাম। তালগোল পাকিয়ে ফেলছিলাম। আমার অবস্থা দেখে পরিচালক নুহাশ বলেন, “নওশাবা আপা, তোমার কী হয়েছে?” উত্তরে আমি বলেছিলাম, “আমি মনে হয় কেঁদে দেব।” এবার আমার অবস্থা বোঝেন। কারণ, যাঁর কথা মায়ের মুখ থেকে সারা জীবন শুনে এসেছি, তাঁর সঙ্গে আমি অভিনয় করছি। ওই সময় মায়ের কথা খুব মনে পড়ছিল।’

default-image

আফজাল হোসেন, চঞ্চল চৌধুরী ও নওশাবা আহমেদ—তিনজনই চারুকলার শিক্ষার্থী ছিলেন। এই ছবির মাধ্যমে চারুকলার তিন প্রজন্মের তিনজন এক জায়গায় মিলিত হন। নওশাবা জানান, কাজটি করতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে আড্ডা, আলোচনায় অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। এই অভিনেত্রী বলেন, ‘শুটিংয়ের ফাঁকে আড্ডায় আফজাল ভাই, চঞ্চল ভাইয়ের চারুকলা জীবনের মজার মজার গল্প শুনেছি। পেইন্টিং, আর্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সিনেমার একাল-সেকালের গল্পও শুনেছি আফজাল ভাইয়ের মুখে। বিশ্বাস করুন, পর্দার বাইরে তাঁদের গল্প, আলোচনার অভিজ্ঞতা আমার কাছে মধুর ছিল। খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন