বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুটিংয়ে এসেই সাফা দেখতে পান, ফজলুর রহমান বাবু চরিত্রের প্রয়োজনে আলাদা আলাদা কস্টিউম নিয়ে এসেছেন, যা অবাক করেছে নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদেরও। শুটিং সেটে তিনি গল্প নিয়ে গভীরভাবে ভাবছেন, চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সিনিয়ররা সব সময় আমার কাছে শিক্ষক। তাঁদের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধা রাখি। বাবু ভাই চরিত্রের জন্য খুঁটিনাটি, যেমন এক জোড়া পুরোনো মোজা, একটা মাফলার নিয়ে এসেছেন, যা হয়তো অন্য অনেক আর্টিস্টই করেন না। ভালো একটা কাজ বের করে আনার জন্য তাঁদের অনেক এফোর্ট থাকে। দুই দিনে তাঁর কাছ থেকে অভিনয়ের অনেক কিছু শিখেছি। সিনিয়রদের সঙ্গে আমার অভিনয়ের সুযোগ থাকলে আরও অনেক কিছু শিখতে পারতাম।’

default-image

গুণীজনদের সঙ্গে অভিনয় করে শেখা যায়। কাজটি কোনো ভাবেই হাতছাড়া করতে চাইনি। গুণীজনদের সঙ্গে কাজ করা আশীর্বাদ। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারছি, এটাই আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’  

default-image

সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন নাটকটির শুটিং। ৫০তম পর্ব থেকে তিনি যুক্ত হচ্ছেন সেই ধারাবাহিকে। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সাফা কবির জানান, মাত্র দুই দিন তিনি শুটিং করেছেন। নাটকে বাবুর মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাফা। বাবার চিকিৎসার জন্য গ্রাম থেকে শহরে আসেন তাঁরা।

default-image

যদিও ধারাবাহিকের চেয়ে খণ্ড নাটকগুলো সাফাকে বেশি তৃপ্তি দেয়। এ জন্য তিনি ধারাবাহিকের ধরাবাঁধা সময় নিয়ে অভিনয় করেন না। ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘ইউনিভার্সিটি’, ‘থ্রি সুপার গার্লস’সহ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছিলেন। পরে তিনি ব্যস্ত হয়ে যান এক ঘণ্টার খণ্ড নাটকে।

default-image

ঈদে তাঁর ২৫টি নাটক প্রচারিত হয়েছে। বেশির ভাগ নাটকেই সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন তৌসিফ মাহবুব। তিনি বলেন, ‘আমি ও তৌসিফ শুরু থেকে একসঙ্গে অভিনয় করতাম। আমরা দুজন একসঙ্গে বড় হচ্ছি। এখন মনে হয় আমি এবং তৌসিফ অভিনয়ে অনেকটাই ম্যাচিউর হচ্ছি। আগে অনেক কিছু না বুঝেই করতাম। তৌসিফের অভিনয় দেখে মনে হয়, সে আগের চেয়ে অনেক বড় হয়েছে। আমার অভিনয় নিয়ে তাঁর মত কী, জানি না। অভিনয় করতে গিয়ে আমাদের বন্ধুত্বটা অনেক স্ট্রং হয়েছে। এ জন্য আমরা বেশি কাজ করি।’

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন