বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেবল প্রতিযোগীই নয়, ফ্লোরিনার গুরু কোরিওগ্রাফার তুষার শেঠিকে সম্মানী হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ লাখ রুপি। চূড়ান্ত পর্বে দ্বিতীয় হয়েছে কর্ণাটকের পৃথ্বীরাজ, তৃতীয় পাঞ্জাবের সঞ্চিত চান্না ও চতুর্থ স্থানে ছিল মধ্যপ্রদেশের নীরজা তিওয়ারি। পুরস্কার হিসেবে তারা প্রত্যেকে এক লাখ রুপি করে পায়। এ ছাড়া ‘সুপার ড্যান্সার ফোর’–এর চূড়ান্ত পাঁচ প্রতিযোগীর জন্য ছিল এয়ার পিউরিফায়ার ও ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট।

চ্যাম্পিয়ন ফ্লোরিনা বলে, ‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাকে যারা ভোট আর ভালোবাসা দিয়েছে, সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ওপর আস্থা রেখে শেখানোর জন্য তুষার ভাইয়াকেও অনেক ধন্যবাদ। সুপার ড্যান্সার আমাকে নতুন নতুন বন্ধু দিয়েছে। আমি তাদের অনেক মিস করব। আমি নেচে যেতে চাই আর নতুন নতুন ঘরানার নাচ শিখতে চাই।’

default-image

সুপার ড্যান্সারের তিন বিচারক ছিলেন শিল্পা শেঠি, গীতা কাপুর ও অনুরাগ বসু। প্রতিযোগিতার বিজয়ীর নাম ঘোষণার পর শিল্পা শেঠি বলেন, ফ্লোরিনা আর তুষারের জয়ে আমি খুবই আনন্দিত। এই মুহূর্তটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই প্রতিযোগীরা যেভাবে নিজেকে পেশাদার নৃত্যশিল্পীর মতো করে গড়ে তুলেছে, এতে আমি খুবই খুশি। আশা করি, ফ্লোরিনাসহ সবাই জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

১৩ জন প্রতিযোগী নিয়ে চলতি বছরের মার্চে সনি টিভিতে শুরু হয় সুপার ড্যান্সারের চতুর্থ মৌসুম।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন