রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বসে গ্র্যান্ড ফিনালের এ আয়োজন। সাংস্কৃতিক পর্বে ওয়ার্দা রিহাবের পরিচালনায় ছিল বাংলার খাবার নিয়ে ধৃতি নর্তনালয়ের অনবদ্য কোরিওগ্রাফি। অনুষ্ঠানে আলো ছড়াতে এসেছিলেন অভিনেত্রী তারিন জাহান ও অভিনেতা সাজু খাদেম। শেষভাগে আমন্ত্রিত দর্শকদের গান শোনায় জলের গান। স্বাগত বক্তব্য দেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত দর্শককে এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়। এসেছিলেন চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত ১৫ প্রতিযোগীর স্বজন, ‘সেরা রাঁধুনী’র বিগত আসরগুলোর শীর্ষ প্রতিযোগী, দেশবরেণ্য রন্ধন বিশেষজ্ঞ ও স্কয়ারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এবারের আসরের বিভিন্ন পর্বে দর্শকেরা দেখেছেন দেশি পার্বণ, রামাদান নাইটস, স্বাদের বিশ্বভ্রমণ, মোগলাই মহোৎসব, তেল দেওয়া বন্ধ, বাক্স রহস্য, চোখ বুজে স্বাদের খোঁজেসহ বেশ কিছু অভিনব পর্ব। প্রতিটি পর্বই ছিল চমক ও নাটকীয়তায় ভরা।

প্রতিযোগিতার বিজয়ী সাদিয়ার রান্নায় হাতেখড়ি মায়ের কাছে। একবার মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনিই পরিবারের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সেই থেকে রান্নার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। এবার দেশের হাজারো রাঁধুনির মধ্য থেকে সেরার মর্যাদা পেলেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে পেলেন স্মারক ও ১৫ লাখ টাকা। অন্য দুই বিজয়ী পেয়েছেন যথাক্রমে ১০ ও ৫ লাখ টাকা ও স্মারক।

২০০৬ সালে প্রথম এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এটি প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ মৌসুম।

অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে সেরা রাঁধুনির ইউটিউব চ্যানেলেও।