বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নাটকে নিয়মিত অভিনয়ের সময় থেকেই সেলিমের ইচ্ছা ছিল নির্মাণ করবেন। এই ইচ্ছা তাঁর মধ্য জাগ্রত করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। সেলিম বলেন, ‘মামুন ভাই আমাকে খুব ভালোবাসতেন। তাঁর কাজের আলাদা একটা উপস্থাপনা সব সময় থাকত। সেভাবে আমার কাজগুলো ভিন্নভাবে উপস্থাপনা করার চেষ্টা করতাম। আবুল হায়াত, মামুনুর রশীদ, আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মুস্তাফা, রাইসুল ইসলাম আসাদ, সানজিদা প্রীতি, হিল্লোলসহ অনেকেই আমার নির্মাণে খুবই আগ্রহ নিয়ে অভিনয় করতেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে চ্যানেলে গিয়ে বসে থাকা, পেমেন্ট বকেয়া রাখা, সস্তা জনপ্রিয়তার নাটক প্রাধান্য পেতে শুরু করে। তখন রাগে–অভিমানে–দুঃখে নির্মাণ ছেড়ে দিই। খুব ইচ্ছা করলে দুই বছরে একটি নির্মাণ করি। আমরা পুরোনো মানুষ, পুরোনোই থাকতে চাই।’

default-image

‘স্পর্শের বাইরে’, ‘রাতজাগানিয়া’, ‘নকল পোশাক’, ‘শেষ বিকেলের আলো’, ‘রং ছুট’সহ একাধিক নাটক নির্মাণ করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন সেলিম। সেই সময়ে নাটক নির্মাণে আলাদা একটি প্রস্তুতি থাকত। অভিনয়শিল্পীদের বাসায় বা অফিসে চলত চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা, অনুশীলন। তবে মাঝেমধ্যে অল্প সময়েও প্রস্তুতি নিয়ে ভালো নাটক নির্মাণ করা সম্ভব ছিল। তখন কাজের প্রতি অভিনয়শিল্পীদের ভালোবাসাটা গভীর ছিল, এমনটাই মনে করেন সেলিম।

default-image

‘রং ছুট’ নাটকের শুটিংয়ের গল্প স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের দুই দিন আগে সুবর্ণাকে (মুস্তাফা) বললাম, অভিনয় করতে হবে। শুনে তো সুর্বণা বলল, এত দ্রুত কেমনে, কীভাবে সম্ভব। কোনো প্রস্তুতি নেই। পরে আমরা তার বাসায় টানা আলোচনা করে কাজটি করি। সুবর্ণা তখন প্রথম আলোর একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিল, সেলিম আমাকে বিটিভির বাইরে নিয়ে এসেছে। সেই সময়ে আমরা কাজের নানা এক্সপেরিমেন্ট করতাম। সেই চর্চা এখন আর নেই। ভিউয়ে দিন দিন ডুবে যাচ্ছে আমাদের নাটক। তারপরও আশাবাদী। নতুনের হাত ধরেই পরিবর্তন আসবে।’ সর্বাত্মক লকডাউনের কারণে অভিনয়ে বিরতি দিয়েছিলেন। গত ১৪ জুলাই থেকে তিনি আবারও অভিনয়ের ফিরেছেন। টানা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা রয়েছে এই অভিনেতার।

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন