থাইল্যান্ডে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা খায়রুল বাসার
শুটিংয়ের বেশ কয়েকটি দৃশ্য ছিল পাহাড়ের ওপর। শুটিং শেষে সেই পাহাড় থেকে নামতে গিয়ে হঠাৎ করে দুর্ঘটনার মুখে পড়েন অভিনেতা খায়রুল বাসার। এ সময় স্কুটি চালাচ্ছিলেন চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনি। ঘটনায় দুজনই মারাত্মক আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সাড়ে চারটার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের নিচ থেকে খায়রুল বাসার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা নাটকের শুটিং করতে থাইল্যান্ড এসেছিলাম। কাজ ঠিকমতোই চলছিল। এর মধ্যে আমাদের একটি দৃশ্যের শুটিং ছিল কোলান দ্বীপে। একপর্যায়ে আমরা পাহাড়ের ওপরে শুটিং করি। শুটিং ঠিকমতোই হয়েছে। কিন্তু নামতে গিয়ে হঠাৎ করে আমাদের স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। সঙ্গে সঙ্গে আমরা পড়ে যাই।’
দ্রুত ঘটনাটি ঘটায় শুরুতে তাঁরা কিছুই বুঝতে উঠতে পারেননি। এ সময় শুটিং টিম কিছুটা দূরে ছিল। তাঁরাই এই অভিনয়শিল্পী ও চিত্রগ্রাহকে উদ্ধার করেন। বাসার বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আমার বুকে ব্যথা পেয়েছি, হাঁটুতেও আঘাত লেগেছে। হাঁটতেই কষ্ট হচ্ছে। এখন আমরা পাতায়ায় এসেছি। এখানে হাসপাতালে চিকিৎসা নেব। এই অবস্থায় শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। আমার যে শারীরিক অবস্থা তাতে শুটিং করা সম্ভব নয়।’
বাসার আরও জানান, এ ঘটনায় চিত্রগ্রাহকের বেশ কিছু অংশ ছুলে গেছে। তাঁর চেয়েও বেশি আহত হয়েছেন মেহেদী রনি। ‘মাত্রই হাসপাতালে এসেছি। এখন দুজনের এক্স-রে করাতে হবে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শেই থাকতে হবে। যদিও কাল আমার শুটিং ছিল না। পরে ছিল। এখন বিশ্রাম নিতে হবে। এ অবস্থায় ২–৩ দিন শুটিং করা সম্ভব নয়।’ বলেন খায়রুল বাসার।
জানা যায়, একসঙ্গে কয়েকটি নাটকের শুটিংয়ে গেছেন এই অভিনেতা। বাসার ঈদের পরে বিরতি শেষে থাইল্যান্ডে শুটিং করলেন। নাটকের নাম জানা না গেলেও নাটকগুলো পরিচালনা করবেন মীর আরমান হোসেন। নাটকে বাসারের সহশিল্পী ছিলেন সাদনিমা বিনতে নোমানসহ অনেকে।