default-image

জন্মদিনে কী উপহার পেলেন, এমন প্রশ্নে কিছুটা নীরবতা। ওপাশ থেকে বলতে থাকেন, ‘কেউ ফুল, কেউ পছন্দের কিছু গিফট করেছেন। অনেকেই কেক পাঠিয়েছেন। মা পছন্দের খাবার রান্না করেছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে আমার কাছে সেরা উপহার ছিল বাবা। ১৫ বছর পর বাবা সেই আগের মতো মাথায় হাত দিয়ে সকালে উইশ করলেন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন। উপহার দিয়েছেন। বাবার এই স্পর্শ আমার জন্য অনেক বড় উপহার। এবারের জন্মদিনে বাবাকে কাছে পেয়েছি, এটাই বিশেষ। ভালো লাগছে।’

default-image

জোভানের বাবা থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। এ বছরের মাঝামাঝিতে দেশে ফিরেছেন। সেই ছোট জোভান এখন টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ, তা নিয়ে বাবা বেশ গর্বিত। ছেলের পছন্দকে বাবা সব সময় সাপোর্ট করেন। জোভান জানান, তাঁর বাবা নিয়মিত তাঁর অভিনীত নাটকগুলো দেখেন। জোভান বলেন, ‘একসময় এমন হয়েছিল যে দীর্ঘদিন বাবাকে না দেখার কারণে আমাদের কথা কম হতো। আমি ও বাবা উভয়েই অন্তর্মুখী মানুষ। মুখ ফুটে কিছু বলতে পারি না। এমনও হয়েছে, আমাদের অনেক দিন কথা হয়নি। এবার বাবা দেশে আছেন। আবার চলে যাবেন। ভাবছি, আগামী এক মাস কোনো নাটকে শুটিং করব না। পরিবার আর নিজেকে সময় দেব।’

default-image

ছোট পর্দায় ব্যস্ত এ অভিনেতার ক্যারিয়ার নিয়ে এত পরিকল্পনা ছিল না। নাটকে স্থায়ীভাবে অভিনয় করবেন, সেটাও ভাবেননি। তাই প্রত্যাশাও ছিল কম। এ প্রসঙ্গে জোভান বলেন, ‘আমার অভিনয় নিয়ে কখনোই কোনো পরিকল্পনা ছিল না। পরিকল্পনা থাকলে সেটা প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে খারাপ লাগত। এ জন্য আমি সব সময় চেয়েছি মনোযোগ দিয়ে কাজটা করে যেতে। কাজের প্রতি সৎ থাকতে।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন