পরিচালক-অভিনয়শিল্পীর এই জুটিকে ‘সুন্দর রসায়ন’ হিসেবে দেখেন চয়নিকা চৌধুরী, ‘কাজের ক্ষেত্রে একজন শক্তিমান অভিনেতার সঙ্গে পরিচালকের সুন্দর জার্নি তৈরি হতে পারে। তারিনের সঙ্গে আমার সেটি হয়েছে। সে গুণী শিল্পী। তার সঙ্গে কাজের বোঝাপড়া দারুণ। আমরা অনেক বছর একসঙ্গে কাজ করে আসছি। আর এ কারণেই টানা এক শ নাটক তাকে নিয়ে করা সম্ভব হয়েছে। তবে এই পথে আনন্দ–বেদনা দুটিই ছিল।’

চয়নিকার পরিচালনায় শততম নাটকে অভিনয় করতে পেরে তারিনও দারুণ খুশি, ‘আগে জানতাম না এটি আমাদের শততম নাটক। শুটিং সেটে হঠাৎ বৌদি তথ্যটি দিলেন। শুনে তো আমি অবাক। দেখতে দেখতে কতগুলো বছর পেরিয়ে গেল। তাঁর পরিচালনায় এক শ নাটকে অভিনয় করে ফেললাম। দারুণ একটা ব্যাপার। বৌদির কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘বৌদির নাটকে কাজের পরিবেশ ছিল বলে এই মাইলফলক গড়া সম্ভব হয়েছে।’

চয়নিকার পরিচালনায় তারিনের প্রথম নাটক ‘রজনীগন্ধা’। ২০০৪ সালের ১ বৈশাখে বাংলাভিশনে এটি প্রচারিত হয়।