বিদেশ ভ্রমণ, টাকার চেক আর কী কী পুরস্কার পাচ্ছেন লাক্স সুপারস্টারের দশ প্রতিযোগী
শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত হয়েছে লাক্স সুপারস্টারের জমকালো অনুষ্ঠান। রাজশাহীর মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা জিতেছেন এবারের মুকুট। মঞ্চে নাম ঘোষণার পর আবেগে ভেঙে পড়েন বর্ণিতা। আনন্দাশ্রু সামলাতে পারেননি তিনি। পাশে দাঁড়ানো তিস্তা ও ইয়ুমনা তাঁকে জড়িয়ে ধরে অভিনন্দন জানান। শুভেচ্ছা জানান অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমও। মুহূর্তেই মঞ্চের সব আলো যেন কাড়েন বর্ণিতা, দর্শকের অভিবাদনেও ভেসে যান তিনি।
বর্ণিতার হাতে ট্রফি তুলে দেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস খান ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। পাশাপাশি তাঁকে দেওয়া হয় একটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি।
দীর্ঘ সাত বছর পর নতুন লাক্স সুপারস্টার পেল বাংলাদেশ। কেবল ট্রফি ও গাড়িই নয়, বিজয়ী হিসেবে নির্মাতা রায়হান রাফীর পরিচালনায় ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে একটি সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছেন বর্ণিতা। সঙ্গে নির্মাতা শিহাব শাহীনের একটি ওয়েব প্রজেক্টে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ। সিএমভির একটি প্রজেক্টেও কাজের সুযোগ পাচ্ছেন।
প্রথম রানারআপ হয়েছেন পাবনার নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল। তিনি পেয়েছেন লাক্সের পক্ষ থেকে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ, পাঁচ লাখ টাকার চেক, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের শিহাব শাহীন পরিচালিত ওয়েবফিল্মে কাজের সুযোগ এবং সিএমভির একটি প্রজেক্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ।
দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন চট্টগ্রামের আমিনা ইসলাম। তাঁর প্রাপ্তির তালিকায় রয়েছে লাক্সের পক্ষ থেকে বিদেশ ভ্রমণ, তিন লাখ টাকার নগদ পুরস্কার, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ওয়েবফিল্ম ও এবং সিএমভির একটি প্রজেক্টে কাজের সুযোগ।
চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অর্জনকারীরা পেয়েছেন দুই লাখ টাকা করে নগদ পুরস্কার, এয়ার অ্যাস্ট্রার পক্ষ থেকে দেশের যেকোনো গন্তব্যে তিনটি রাউন্ড-ট্রিপ টিকিট এবং সিএমভির একটি প্রজেক্টে কাজের সুযোগ।
ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অর্জনকারীরা পেয়েছেন এয়ার অ্যাস্ট্রার তিনটি ডোমেস্টিক রাউন্ড-ট্রিপ টিকিট এবং টেকনোর ক্যামন ৫০ আল্ট্রা স্মার্টফোন।
চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন পাঁচ প্রতিযোগী-আমিনা ইসলাম, বিদুষী বর্ণিতা, নুসরাত আফরীন ইয়ুমনা, তিস্তা পাল ও নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল।
২০০৫ সালে শুরু হওয়া এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা কয়েক বছর নিয়মিত আয়োজনের পর বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতাটি। সাত বছর বিরতির পর গত বছর শুরু হয় এর দশম আসর।