১৯ বছর পর ফাহমির সান্নিধ্যে পলাশের কাঙ্ক্ষিত সন্ধ্যা

ফাহমির সঙ্গে পলাশছবি: ফেসবুক

সম্প্রতি নির্মাতা ইফতেফার ফাহমির সঙ্গে এক সন্ধ্যা কাটানোর সুযোগ পান অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ। এই এক আড্ডার জন্য পলাশ অপেক্ষা করেছেন ১৯ বছর। সেই সাক্ষাৎ-অভিজ্ঞতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।

জিয়াউল হক পলাশ

পলাশ জানান, ২০০৭ সাল থেকে ফাহমির কাজ দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে আসছেন। তাঁর কথায়, ‘একটা সন্ধ্যা কাটালাম মানুষটার সঙ্গে। এই সময়টার জন্য জীবনে ১৯ বছর সময় লেগেছে। ২০০৭ সাল থেকে এই মানুষটার প্রতি মোহগ্রস্ত আমি। তাঁর বানানো নাটক দেখে মনে হয়েছিল ডিরেক্টর হব। নাখালপাড়ায় “ফোর টোয়েন্টি” শুটিংয়ের সময় প্রথমবার সরাসরি দেখেছিলাম তাঁকে ডিরেকশন দিতে। সেই দিন থেকে ভাবনার আরও গভীরে ঢুকে গেল সে। তারপর মানিব্যাগে ছবি রেখে, পড়ার টেবিলের সামনে তাঁর ছবি রেখে, দিন–রাত ধারণ করেছি তাঁকে। তাঁর আশপাশে থাকার জন্য কত যে চেষ্টা করে গেছি। ভাগ্যে মেলেনি। সেই ছোটবেলার আফসোস আজও আমার থেকে যাবে।’

কাজল আরেফিন অমির সহকারী পরিচালক হিসেবে মিডিয়ায় পথচলা পলাশের। আর ফাহমির সহকারী পরিচালক ছিলেন অমি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্নভাবে ফাহমির কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেছেন পলাশ। এমনকি নিজের শেখার প্রক্রিয়াতেও ফাহমির কাজকে অনুসরণ করতেন বলে জানান তিনি। পলাশ লিখেছেন, ‘অমি ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার একটা বড় লোভ ছিল সে ফাহমি ভাইয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিল। অমি ভাইয়ের চোখ দিয়েই আমি ফাহমি ভাইকে দেখতাম। অমি ভাইয়ের সিন ব্রিফিংয়ে আমি ধরে নিতাম ফাহমি ভাইও বোধ হয় এভাবেই সিন ব্রিফ করত।’

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সেই সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে পলাশ বলেন, সময়টা তাঁর কাছে “ঘোর লাগা” মনে হয়েছে। ফাহমি ভাই তাঁর কাজ নিয়ে কথা বলেছেন ও ‘ডিরেকশনটা কনটিনিউ রাখতে’ পরামর্শ দিয়েছেন। পলাশের সর্বশেষ প্রজেক্ট ‘সন্ধ্যা ৭টা’ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
তবে এত দিনের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও অনেক কথা বলা হয়নি বলে আক্ষেপ করেন পলাশ। ‘অনেক কিছু বলার ছিল, কিন্তু কিছুই বলা হয়ে ওঠেনি,’ বলেন তিনি।
দীর্ঘ ১৯ বছরের মুগ্ধতার পর প্রিয় নির্মাতার সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে নিজের জীবনের বিশেষ একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন পলাশ।