১০–এ প্রথম দেখা, ২২–এ প্রেম, ২৬–এ বিয়ে—এরপর আবুল হায়াত–শিরিন কাটালেন ৫৬ বছর

আবুল হায়াত ও মাহফুজা খাতুন শিরিনছবি : আবুল হায়াতের ফেসবুক

বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াতের সঙ্গে মাহফুজা খাতুন শিরিনের দাম্পত্যজীবনের ৫৬ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ। ১৯৭০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আক্‌দ হয় তাঁদের। এরপর এই দম্পতি দীর্ঘ এই সময়ে জীবনের নানা চড়াই–উতরাই একসঙ্গে অতিক্রম করেছেন। বিনোদন অঙ্গনে তাঁদের সংসারজীবনকে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।

বিনোদন অঙ্গনে হরহামেশা সংসার ভাঙার খবর শোনা যায়। এর মধ্যে যে কজন ব্যতিক্রম তাঁদের মধ্যে আবুল হায়াত অন্যতম। মেজ দুলাভাই মনিরুজ্জামানের ছোট বোন মাহফুজা খাতুন শিরিনের সঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন দাম্পত্যজীবনের ৫৬টি বছর। এই দীর্ঘ সংসার জীবনযাপনের একটাই রহস্য—বিশ্বাস, আস্থা, ভালোবাসা, সুখ–দুঃখ সবকিছুকে হাসিমুখে ভাগ করে নেওয়া।

পরিবার ও উদ্‌যাপন

আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন দম্পতির দুই সন্তান—বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত। বিপাশা ও তৌকীর আহমেদ দেশের বাইরে থাকায় নাতাশা-শাহেদ ও তাঁদের সন্তানদের নিয়ে কেক কেটে দাম্পত্যজীবনের ৫৬ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করেন তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভিডিওকলে ছিলেন বিপাশা–তৌকীর ও তাঁদের সন্তানেরা। ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই। এই দিনে তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন।

দাম্পত্যজীবনের ৫৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মেয়ে নাতাশা ও তাঁর অভিনয়শিল্পী স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে কেক কেটেছেন আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন
ছবি : আবুল হায়াতের ফেসবুক

আজকের দিনের ভাবনা

দাম্পত্যজীবনের ৫৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মেয়ে নাতাশা ও তাঁর অভিনয়শিল্পী স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে কেক কেটেছেন আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন। ভিডিওকলে যুক্ত ছিলেন বড় মেয়ে বিপাশা হায়াত ও তাঁর অভিনয়শিল্পী স্বামী তৌকীর আহমেদ এবং তাঁদের সন্তানেরাও। আজ বুধবার সকালে যখন আবুল হায়াতের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি বললেন, ‘মনে হচ্ছে ৫৬টা বছর দৌড়ে চলে গেল। ভাবছি, কেন এত তাড়াতাড়ি চলে গেল! মনে হচ্ছে, এই তো সেদিন। পেছনে ফিরে তাকিয়ে মনে হয়, সেই দিনগুলো তো ভালো ছিল। বাচ্চারা ছোট ছিল। আমরাও বিভিন্নভাবে সংগ্রাম করছিলাম। বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা, শিক্ষকদের কাছে নিয়ে যাওয়া, নাচের শিক্ষক, গানের শিক্ষক। তখন তো চাকরি করতাম। চাকরির মাঝে দুপুরের খাবারের ফাঁকে বাচ্চাদের আনা-নেওয়ার কাজ করতাম—এই যে একটা জীবন সেটার কথা খুব মনে পড়ছিল। এখন তো শুটিং থাকলে যাই, অন্যথায় বাসায় বসে লিখি, গান শুনি। এমন স্থবিরতা চাইনি কখনো।’

আরও পড়ুন
দাম্পত্যজীবনের ৫৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মেয়ে নাতাশা ও তাঁর অভিনয়শিল্পী স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে কেক কেটেছেন আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন
ছবি : আবুল হায়াতের ফেসবুক

আবুল হায়াত প্রায়ই বলেন, তাঁর জীবনে এখন পর্যন্ত যা কিছু অর্জন তাঁর পেছনে স্ত্রীর অবদান অনেক বেশি। আবুল হায়াতের বাইরের জীবন যেমন বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে এগিয়ে দিয়েছেন, তেমনি ঘরের যাবতীয় বিষয়ও হাসিমুখে সামলেছেন। আবুল হায়াত বললেন, ‘বলে না, প্রত্যেক সফল মানুষের পেছনে একজন নারী থাকেন। যদিও এটা কল্পকথা কিন্তু আমার জীবনে এটা শতভাগ সত্য। শিরিন যখন আমার জীবনে আসে, তখন আমি স্ট্রাগলিং। অর্থনৈতিকভাবেও সংগ্রাম করছিলাম। সেখান থেকে আমরা কীভাবে সারভাইভ করেছি, ভেসে উঠেছি, প্রত্যেকটা পদে তাঁর পরামর্শ, সমর্থন এগুলো পেয়েছি। আরেকটা কথা বলি, সারা জীবন আমি ব্লেসড উইথ গেস্ট। আমাদের বাড়িতে সব সময় অতিথিরা আসতই। খুলনা, রাজশাহী, ফরিদপুর—সব জায়গা থেকে আত্মীস্বজনেরা যেমন আসত, বন্ধুবান্ধবেরাও এসে থাকত। কিন্তু ওই দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও আমরা হাসি-আনন্দে, আলু ভর্তা, ডাল ডিম দিয়ে ভাত খেয়ে দিন পার করেছি। শিরিন সবকিছু মাথা ঠান্ডা করে হাসিমুখে সামাল দিত। তখন কিন্তু আমার এই সচ্ছল জীবন ছিল না। আল্লাহর রহমতে, আমার কারও কাছে হাত পাততে হয়নি।’

ঢাকার মালিবাগে বৌভাতের দিন তোলা ছবিতে আবুল হায়াত ও মাহফুজা খাতুন শিরিন
ছবি: ফেসবুক

শৈশবের দেখা, পরিণতির পথে যাত্রা

আবুল হায়াতের আত্মজীবনীমূলক বই ‘রবি পথ-কর্মময় ৮০’ থেকে জানা যায়, তাঁর পরিবার থাকত চট্টগ্রামে। আর মাহফুজা শিরিনের বাড়ি ঢাকার অদূরে বেরাইদে। বড় ভাইয়ের বিয়েতে পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন শিরিন। সেখানেই দুজনের প্রথম দেখা। তখন মাহফুজা শিরিনের বয়স মাত্র চার বছর, আর আবুল হায়াত দশ।
আত্মীয়তার সূত্রে পরবর্তী সময়ে তাঁদের দেখাসাক্ষাৎ হতো। তবে প্রেমের শুরু ১৯৬৬ সালে। তখন আবুল হায়াত বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, আর মাহফুজা শিরিন দশম শ্রেণিতে পড়েন। সেই সময়েই শুরু হয় চিঠি লেখালেখি। নানা বাধা পেরিয়ে চিঠি আসত–যেত দুজনের কাছে। ১৯৬৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে মেজ দুলাভাই আবুল হায়াতকে ঢাকার বলাকা প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে নিয়ে যান। সেখানেই প্রথম বিয়ের প্রসঙ্গ ওঠে। এরপর পারিবারিকভাবে কথাবার্তা এগোয়। দুই পক্ষের মুরব্বিদের সম্মতিতে ১৯৭০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তাঁদের আক্‌দ সম্পন্ন হয়। এরপর কেটে গেছে টানা ৫৬টি বছর।

আরও পড়ুন

চড়াই–উতরাই পেরিয়ে

এই দীর্ঘ সময়ে জীবনে এসেছে অনেক চড়াই–উতরাই। কিন্তু সব পরিস্থিতিতেই তাঁরা দুজন দুজনকে আঁকড়ে রেখেছেন। আবুল হায়াত বলেন, ‘যাত্রাপথে কতশত আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ, আশা-হতাশা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, বাধা-বিপত্তি—সবকিছু আমরা বিশ্বাস, আস্থা আর ভালোবাসায় হাসিমুখে ভাগ করে নিয়েছি। সত্যি, জীবন কত চ্যালেঞ্জিং ও মধুময়!’ আজকের সমাজে যেখানে হুটহাট সংসার ভাঙার ঘটনা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে, সেখানে ৫৬ বছর একসঙ্গে পথচলা নিঃসন্দেহে এক দারুণ দৃষ্টান্ত, উৎসবের উপলক্ষও বটে।

আবুল হায়াত ও মাহফুজা শিরিন

সুখের সংজ্ঞা ও জীবনের দর্শন

সুখ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে আবুল হায়াত বলেন, ‘সুখ হচ্ছে মানুষের চাওয়া, আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু চাওয়ার একটা সীমা থাকা উচিত। চাওয়া কম থাকলে প্রাপ্তিটা বেশি হয়। আমার বাবা আমাকে শিখিয়েছেন—চাইবা কম, তাহলে দেখবে সব সময় পাবে বেশি। বেশি চাইলে নিরাশ হতে হয়। আমি সারা জীবন সেটাই অনুসরণ করেছি।’
নতুন প্রজন্মের জন্য বার্তা

বিনোদন জগতে বিচ্ছেদের খবর যতটা আলোচিত হয়, মিলনের খবর ততটা নয়। অনেকের ধারণা, তারকাদের সংসার গড়া হয় ভাঙার জন্য। কিন্তু আবুল হায়াত মনে করিয়ে দেন—তারকারাও সাধারণ মানুষ। অনেক তারকা দম্পতি আছেন, যাঁরা দশকের পর দশক একসঙ্গে আছেন। নতুন প্রজন্মকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস, আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। চাওয়ার সীমা থাকা জরুরি। কোনো কিছুতে ক্রেজি হওয়া যাবে না। স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে বলবে না—কেন আমার মতো হতে পারছ না। এই অস্থিরতা সম্পর্ক ভাঙে। এখনকার প্রজন্ম অনেক সময় কোনো অ্যাফোর্ট না দিয়েই সবকিছু পেতে চায়—এটাই বড় সমস্যা।’

‘ভুল মানুষ’ নয়

অনেক সুখী দম্পতির মুখেও শোনা যায়—ভুল মানুষকে বিয়ে করেছেন। এ প্রশ্নে আবুল হায়াতের উত্তর স্পষ্ট, ‘আমার কখনো মনে হয়নি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি। দাম্পত্যে দুজন মানুষ দুটো আলাদা পরিবেশ থেকে এসে একসঙ্গে থাকে। স্বামী–স্ত্রী মিলেই একটা আলাদা সংস্কৃতি তৈরি করে। সেটাই সংসার টিকে থাকার সবচেয়ে বড় উপায়।’ তিনি আরও বলেন, সন্তানদের মানুষ করে তোলার পুরো দায়িত্ব একাই সামলেছেন তাঁর স্ত্রী মাহফুজা শিরিন। নিজের অভিনয়জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও সংসার সামলানোর এই অবদানকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।

অভিনেতা আবুল হায়াতের কোলে নাতাশা-শাহেদের ছেলে, এরপর বসে আছে বিপাশা-তৌকীরের ছেলে, শাহেদ শরীফ খান ও পাশে তাঁর মেয়ে, শিরিন হায়াত, বিপাশা-তৌকীরের মেয়ে, তৌকীর আহমেদ, বিপাশা হায়াত, নাতাশা হায়াত। (বাঁ থেকে)

‘আমার আমি’র ৭৫ শতাংশে শিরিন

স্ত্রী প্রসঙ্গে আবুল হায়াতের কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা স্পষ্ট, ‘আজকের আমার আমিকে যদি ১০০ ভাগে ভাগ করি, তার ৭৫ শতাংশ তাঁর অবদানে। নাটকের প্রতি আমার ভালোবাসা, কাজের পেছনের সবচেয়ে বড় সমর্থন ছিল আমার স্ত্রীর।’ ক্যানসারের সঙ্গে গত কয়েক বছর লড়াই করছেন তিনি। এই সময়টায় স্ত্রীকে পেয়েছেন ছায়ার মতো পাশে। ‘সে আমার সবচেয়ে বড় সহযোদ্ধা। আমাকে শিখিয়েছে—আই অ্যাম আ ফাইটার।’

আরও পড়ুন
আবুল হায়াত
ছবি: প্রথম আলো

অভিনয়জীবনের সংক্ষিপ্ত প্রেক্ষাপট

আবুল হায়াতের সাত দশকের অভিনয়জীবন। মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র থেকে বিজ্ঞাপনচিত্র—সব মাধ্যমেই পেয়েছেন সাফল্য। ১৯৬৮ সালে নাগরিকের ‘ইডিপাস’ দিয়ে টিভিতে অভিষেক। ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্র ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। এরপর উপহার দিয়েছেন একের পর এক মনে রাখার মতো চরিত্র। ১৯৪৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের মুর্শিদাবাদে তাঁর জন্ম। বাবা চাকরি করতেন রেলওয়েতে। বাবার চাকরির কারণেই মাত্র তিন বছর বয়সে চট্টগ্রামে আসেন আবুল হায়াত। শহরের রেলওয়ে কলোনিতেই কেটেছে তাঁর শৈশব। এখানেই কেটেছে তাঁর ২২ বছর। ১৯৬২ সালে ভর্তি হন ইস্ট পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট)। স্বপ্ন প্রকৌশলী হবেন। সেটা হয়েওছিলেন, কিন্তু জীবন তাঁর জন্য লিখে রেখেছিল অন্য এক গল্প। তবে সেই গল্পের দৃঢ় ভিত তৈরি হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়েই।

বিয়ের আসরে আবুল হায়াত ও শিরী হায়াত
ছবি: অভিনেতার পারিবারিক অ্যালবাম থেকে

মঞ্চে তাঁর প্রথম নাটক ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়ই, ‘এক মুঠো আকাশ’ মঞ্চস্থ হয় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে। ১৯৬৮ সালে নাগরিকের ‘ইডিপাস’ নাটক দিয়ে টেলিভিশনের অভিষেক হয় আবুল হায়াতের। পড়া শেষে ১৯৬৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ওয়াসায় যোগ দেন আবুল হায়াত। আর্থিক উন্নতির আশায় ১৯৭৮ সালের ৩০ নভেম্বর লিবিয়া যান তিনি। তখন বিদেশে ইঞ্জিনিয়ারদের খুব কদর ছিল। তিন বছর পর ফিরে এসে সরকারি চাকরিতে ইস্তফা দেন। বেসরকারি চাকরি করেন, কিছুদিন করেন কনসালট্যান্সি। ১৯৯৫ সালে চাকরি ছেড়ে পূর্ণকালীন অভিনেতা হয়ে যান। তাঁকে বিটিভির স্বর্ণযুগের অন্যতম নায়ক বললেও ভুল হয় না।

‘অয়োময়’, ‘বহুব্রীহি’, ‘সৈকতে সারস’, নক্ষত্রের রাত’, ‘আজ রবিবার’, ‘ডাকঘর’, ‘আগন্তুক’, ‘শেষ রক্ষা’, ‘মুক্তধারা’, ‘মুহূর্ত’, ‘খেলা’, ‘শিকার’, ‘দ্বিতীয় জন্ম’, ‘মিসির আলি’ ইত্যাদি নাটকের সুবাদে তখন আবুল হায়াত দেশজুড়ে দর্শকের কাছে পরিচিতি পান। এই নব্বই দশকেই তাঁকে দেখা যায় ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘আগুনের পরশমণি’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘অবুঝ দুটি মন’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’সহ আলোচিত সব সিনেমায়। ‘দারুচিনি দ্বীপ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১৫ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। মেরিল–প্রথম আলো পুরস্কারেও তিনি পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা।