বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৩. টেলিপ্যাথি

default-image

আগেই বলে নেওয়া ভালো, বিজ্ঞানের ওপর অগাধ বিশ্বাস থাকলে এ পথ আপনার জন্য নয়। তবে যাঁরা খানিকটা কল্পনাপ্রবণ কিংবা বিজ্ঞানের বাইরেও চিন্তা করতে আগ্রহী, তাঁরা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পরামর্শ হলো টেলিপ্যাথি। হ্যাঁ, টেলিপ্যাথির মাধ্যমে মনের ভাব আদান–প্রদান করুন। টেলিপ্যাথিতে মুখ দিয়ে কথা বলা তো দূরের কথা, হাত–পা নাড়িয়ে ইশারাও করতে হবে না। আপনার চিন্তা আরেকজনের মস্তিষ্কে ধরা পড়বে। অডিও–ভিডিও এমনকি অলিম্পিকে রেকর্ড হওয়ারও কোনো আশঙ্কা নেই।

৪. সহকারীকে ব্যবহার করুন

default-image

নতুন কিছু শেখা যদি আপনার কাছে ঝক্কি মনে হয়, তাহলে একজন সহকারী নিয়োগ দিন। আপনার কথাগুলো সহকারীর মুখ দিয়ে বলান। যদি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে ধরা পড়বে আপনার সহকারীর কাছে। আর ধরা পড়ার পর যদি সহকারী আপনাকে ফাঁসিয়ে দেয়, সেখানেও বাঁচার উপায় আছে। এ রকম বিপদে ওই সহকারীকে আপনার আশপাশে থাকা একজন ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিন।

৫. তুরুপের তাস

default-image

ধরুন, ওপরের কোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করলেন না। মুঠোফোনে মুখ ফসকে বেফাঁস কিছু বলেই ফেলেছেন। তখন কৌশলে দায় স্বীকার করে নিন। তখন সব দোষ হতভাগা মুখের। এ রকম অবস্থায় আপনার মন্তব্য হবে, ‘আমার মুখ এসব বলেছে। মুখের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় পুরো ব্যক্তি হিসেবে আমি নেব না।’

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন