বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবার অধিকাংশ ফাঁসিকাষ্ঠে ঐতিহ্যগতভাবে ১৩টি সিঁড়ি থাকে। এ সংখ্যাটি কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে কিনা তা বলা মুশকিল। নিউমারোলজি বা সংখ্যাতত্ত্বে ১২ সংখ্যাটিকে একটি সম্পূর্ণ সংখ্যা হিসেবে দেখা হয়, এর পরের সংখ্যাটি, অর্থাৎ ১৩-তে এসে ওই ভারসাম্য নষ্ট হয়।

default-image

সেদিক থেকে ১৩ সংখ্যাটি একটু আলাদা। অবশ্য অন্যদিক থেকে দেখলে এর আলাদা বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। যেমন ১৩ সংখ্যাটি একটি প্রাইম নম্বর। এটি শুধু ১ ও নিজের দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য।

তা ছাড়া ১৩ একটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যা। সংজ্ঞা অনুযায়ী ফিবোনাচ্চি সংখ্যা হলো পূর্ববর্তী দুটি অঙ্কের যোগফল। যদি ০ ও ১ দিয়ে শুরু করি, তাহলে ফিবোনাচ্চি সংখ্যাগুলো হবে ০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১...ইত্যাদি। এ দুটি ক্ষেত্রে ১৩ সংখ্যাটিকে অশুভ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বরং বলা চলে বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।

default-image

এখানে বলা দরকার যেকোনো সংখ্যাকে সৌভাগ্য বা অমঙ্গলের প্রতীক হিসেবে বিবেচনার পেছনে বিজ্ঞানসম্মত কোনো ব্যাখ্যা নেই। ঐতিহাসিকভাবে হয়তো এ রকম ধারণা সমাজে চালু হয়ে যায়। অনেক সময় এসবের পেছনে কুসংস্কার কাজ করে।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন