default-image

খুব সুন্দরভাবে নিজের চেহারা প্রতিফলিত করার উপায় হিসেবে আয়না উদ্ভাবন এক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি না হলে মানুষের জীবন অনেকাংশে অর্থহীন হয়ে যেত। সাজগোজ করে অনুষ্ঠানে যাব, সেখানে আমাকে কেমন দেখাবে, সেটা যদি নিজের চোখে পরীক্ষা করতে না পারি, তাহলে মনে অতৃপ্তি থেকে যায়। তাই আয়না ছাড়া চলে না।

default-image

কিন্তু আয়না কীভাবে প্রতিফলন ঘটায়? লক্ষ করলে দেখা যাবে, আয়নার প্রধান অংশ হলো এক খণ্ড স্বচ্ছ কাচ, যার পেছনের স্তর থেকে প্রতিফলন ঘটে। সেখানে থাকে এক পরত রুপালি ধাতব পদার্থের আস্তরণ। এটাই আমাদের চেহারা নিপুণভাবে ফিরিয়ে দেয়, আর তখনই আমরা আমাদের প্রতিরূপ দেখতে পাই।

default-image

সব ধাতব পদার্থই চকচকে এবং প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম। কারণ, এর অণুগুলো একগুচ্ছ সঞ্চরমাণ ইলেকট্রন ঘিরে রাখে। কোনো বিশেষ অণুর প্রতি এই ইলেকট্রনগুলোর আকর্ষণ থাকে না। আয়নার রুপালি ধাতব পদার্থের বন্ধনহীন ইলেকট্রনগুলো যেমন কোনো বিশেষ অণুর সঙ্গে যুক্ত থাকে না, তেমনি কোনো বিশেষ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোকরশ্মি শুষে নেওয়ার প্রবণতাও দেখায় না। সব ধরনের আলোকরশ্মিই তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং ফেরত পাঠায়। তাহলে আয়নার দরকার কী, এক টুকরা রুপালি ধাতব পদার্থই তো আয়নার কাজ করতে পারে? তা পারে, তবে সেটা দ্রুত ঝাপসা হয়ে যায়। সে জন্যই কাচের পেছনে প্রলেপ দিয়ে আয়না তৈরি করা হয়।

বিজ্ঞাপন
একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন