মিরপুরের এক তরুণ সিটি সমর্থকের কাছে রোনালদোর এহেন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চোখ গরম করে চেঁচিয়ে জানান, ‘হু ইজ রোনালদো? রোনালদো নামের কাউকে চিনি না আমি। প্রশ্ন যেহেতু করেই ফেলেছেন, তাহলে তো নিশ্চয়ই রোনালদো নামের কেউ অবশ্যই আছে। ঠিক আছে, পরে সময় পেলে গুগলে সার্চ করে দেখব!’

এদিকে নানান মাধ্যমের সূত্রে রোনালদোকে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা যাচ্ছে। ইতালি–অধ্যায় শেষ করে পুনরায় ইংল্যান্ড–অধ্যায় শুরু করার আগে খুব আনন্দেই দিন কাটাচ্ছেন তিনি। নিয়মিত রেস্তোরাঁয় খাচ্ছেন, টিকটক ভিডিও বানাচ্ছেন, চা হাতে ছবি তুলে পোস্ট করছেন, ইউটিউবে নিয়মিত ‘ফানি ভিডিও ২০২১’ আপলোড করছেন, স্ন্যাপচ্যাটে নানান মজাদার ফিল্টার লাগিয়ে তামাশাও করতে দেখা যাচ্ছে।

default-image

‘একটু থামুন’–এর তরফ থেকে রোনালদোকে ইমোতে ফোন করে সিটি ঘুরে ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে হাসতে হাসতে বলেন, ‘আরে ভাই, এটা একটা প্র্যাংক ছিল। ম্যানচেস্টার সিটি আমার রাইভাল ক্লাব। আমি কেন ওখানে যাব? এ ছাড়া গার্দিওলার সঙ্গে আমার আসলে ব্যাটে–বলে হয় না। তাঁর জন্মদিনে একবার একটা শ্যাম্পু গিফট করেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে শ্যাম্পুটা আমার দিকে ছুড়ে মারলেন! আপনারাই বলেন, শ্যাম্পু গিফট করায় এত রাগের কী আছে? এসবের জন্যই চেয়েছিলাম সিটির সঙ্গে একটু মজা নিই। এ কারণেই সিটি সিটি করেও শেষ পর্যন্ত যোগ দিলাম ইউনাইটেডে। হা হা হা হা...! কেমন দিলাম, বন্ধুরা?’

এই বলে ফোন রাখলেন রোনালদো। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন