মালিক খুশি হয়ে...

লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দল। বেশ খোশ মেজাজে আছেন দলের ম্যানেজার। তিনি এক দিন ডেকে পাঠালেন জয়ের নায়ক, স্ট্রাইকার হাসমতকে। আট ম্যাচে ১২ গোল করে মহাতারকা বনে গেছে সে।

ম্যানেজার তাকে দেখে একগাল হেসে বললেন, ‘খুব তো খেল দেখালে হে! দলের মালিক তো বেজায় খুশি তোমার ওপর, বোনাসও দিয়েছেন তোমাকে।’ বলেই দুই লাখ টাকার একটা চেক ধরিয়ে দিলেন হাসমতের হাতে।

আচমকা দুই লাখ টাকার চেকটা হাতে পেয়ে স্ট্রাইকার হাসমত বিনয়ে গলে গেল। ম্যানেজারের পা ছুঁয়ে সালাম করে বলল, ‘অনেক অনেক ধন্যবাদ ম্যানেজার সাহেব, আসলে আপনাদের কোনো তুলনা হয় না...!’

ম্যানেজারও কম বিনয়ী নন, পান চিবুতে চিবুতে বললেন, ‘না, না, না এ আর এমন কী! সামনে আরও ভালো খেলো, দেখবে দলের মালিক এই ফাঁকা চেকটাতে তখন সত্যি সত্যিই একটা সই করে দেবেন! তখন এক্কেবারে নগদ দুই লাখ! হে হে হে!’

গোলরক্ষকের জন্য চক্ষুবিশেষজ্ঞ

একের পর এক ম্যাচ হেরে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে দল, সবাই দোষ দিচ্ছে গোলরক্ষককে। বেচারা গোলরক্ষকও অন্য সবার মতো গোল খেতে খেতে নাজেহাল। মনটন খারাপ, তাই পার্কে বসে এক দিন হাওয়া খাচ্ছিল সে।

হঠাৎ এক বুড়োমতো লোক এসে কাঁধে হাত রাখে তার, ‘বাবা, আমি তোমার অনেক খেলাই দেখেছি। আমার মনে হয়, তোমার এমন খারাপ পারফরম্যান্সে আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি।’

খুশিতে ঝলমল করে ওঠে তার মুখ, বুকে আনন্দের ঢেউ। গা ঝাড়া দিয়ে সে বলে, ‘ওহ্‌, চাচা, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি নিশ্চয়ই ফুটবল কোচ?’

বুড়ো ফোকলা দাঁতে হাসেন, বলেন, ‘নারে বাবা, আমি ফুটবল কোচ নই, চক্ষুবিশেষজ্ঞ!’