যার মন চায়, সে-ই ফাইনাল খেলুক। আমরা আর এগুলারে কেয়ার করি না। যদি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল দেখতে না পারি, তাইলে করোনার পর নেইমার আর মেসিরে কিন্যা আইনা আমগো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্লাবে খেলামু।

এদিকে একদল মানুষকে দেখা গেল, তারা চরম খেপে আছেন। মূলত কারা ফাইনাল খেলবে, সেটা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হতে না পারায় বাকি পৃথিবীর মানুষের ওপর তারা চরম বিরক্ত। অনেকে আবার নতুন পরিকল্পনাও এঁটে বসে আছেন। এমনই এক পরিকল্পনাবিদ বলেন, ‘যার মন চায়, সে-ই ফাইনাল খেলুক। আমরা আর এগুলারে কেয়ার করি না। যদি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল দেখতে না পারি, তাইলে করোনার পর নেইমার আর মেসিরে কিন্যা আইনা আমগো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্লাবে খেলামু। এটাই আমাগো ফাইনাল। একজন ব্রাজিল, আরেকজন আর্জেন্টিনা।’

নেইমার ও মেসিকে কিনে এনে কী খেলাবেন? মারামারি, ফুটবল নাকি অন্য কিছু? এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ‘ধুর মিয়া, ফুটবল খেলামু কিসের লাইগা? ফুটবল খেলে সময় নষ্ট করার মানুষ আমরা না। পাবজি আর ফ্রি ফায়ার খেলামু দুইটারে দিয়া। আমগো এলাকার যুবকদের কাদাপানিতে নেমে ফুটবল খেলার টাইম নাই। সবাই স্মার্টফোনে গেমস খেলে। শুনছি নেইমার-মেসিও ভালো খেলোয়াড়। তাই ওদের এনে এলাকার পোলাপানরে ট্রেনিং দেওয়ামু ভাবতেছি!’

কারা ফাইনাল খেলবে, তা পত্রপত্রিকা পড়লে বা টিভি দেখলেই জানা যায়—এটা জানাতেই একজন বলেন, ‘অন্যদের মতো আমাদের এত আজাইরা সময় নাই। পত্রিকা পড়ে কিংবা নিউজ দেখে জানার পেছনে সময় ব্যয় না করে আমরা ভালো কিছুর পেছনে সময় ব্যয় করি৷ যাই, একটা বাঁশ কেটে আনি। না না, অন্য কিছু ভাববেন না, ফুটবল মাঠের গোলপোস্ট হিসেবে কাজে লাগবে!’