বিজ্ঞাপন

নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন কর্মীরা। যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার প্যাপিলিয়ন ডেটা সেন্টার। ফেসবুক

default-image

ফেসবুক দাবি করে তাদের ডেটা সেন্টারগুলো অন্যদের চেয়ে ৮০ শতাংশ বেশি ‘ওয়াটার এফিশিয়েন্ট’। অর্থাৎ তুলনামূলক কম পানি ব্যবহার করে সার্ভারের কুলিং সিস্টেম সচল রাখা হয়।

default-image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর লস লুনাসে ফেসবুকের ডেটা সেন্টার। ছবি তোলার সময় সেটি নির্মাণাধীন ছিল।

default-image

ডেটা সেন্টারগুলোতে শতভাগ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের চেষ্টা করে যাচ্ছে ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে।

default-image

ডেনমার্কের অডেন্সে ফেসবুকের ডেটা সেন্টার।

default-image

আয়ারল্যান্ডের ক্লোনি ডেটা সেন্টার।

default-image

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়ার আলটুনা ডেটা সেন্টার।

default-image

ফেসবুক বলছে, কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বেশ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অরিগনের প্রাইনভিল ডেটা সেন্টার।

default-image
একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন