প্রথমত, শুক্র গ্রহ বুধের চেয়ে অনেক বড়। বুধ গ্রহের ব্যাস তিন হাজার ১০০ মাইল, আর শুক্র গ্রহের সাত হাজার ৭০০ মাইল। দ্বিতীয়ত, বুধ গ্রহের কোনো আবহমণ্ডল নেই, কিন্তু শুক্র গ্রহের চারপাশে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের আস্তরণ রয়েছে।

default-image

আবহমণ্ডল সূর্যের আলো বিচ্ছুরণে সাহায্য করে। এই মেঘের কারণে শুক্র গ্রহ আকাশে বেশি আলো ছড়ায়। তৃতীয়ত, সূর্যকে প্রদক্ষিণকালে যদিও বুধ ও শুক্র গ্রহ উভয়েই পর্যায়ক্রমে পৃথিবীর কাছাকাছি আসে, কিন্তু বুধ গ্রহের চেয়ে শুক্র গ্রহ পৃথিবীর বেশি কাছে আসে।

বস্তুত, চাঁদ ছাড়া একমাত্র শুক্র গ্রহই একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে ঘুরে যায়। এই দূরত্বও অবশ্য আমাদের সাধারণ হিসাবে কম নয়, প্রায় আড়াই কোটি মাইল।

default-image

মহাজাগতিক হিসাবে এটা সামান্য দূরত্বই বটে। এসব কারণে শুক্র গ্রহ শুধু বুধ গ্রহ থেকে নয়, অন্য যেকোনো গ্রহের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল হয়ে আকাশে জ্বলজ্বল করে।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন