বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোজা কথায় বললে, মশারা আমাদের মাথার পাশে বেশি ঘুরঘুর করে; কারণ, আমরা শরীরের এই অংশ দিয়েই কার্বন ডাই–অক্সাইড নির্গমন করি।

মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর শরীরের রক্ত তাদের জন্য উপযোগী কি না, সেটি স্ত্রী মশারা তাদের পায়ে থাকা টেস্ট সেন্সর দিয়ে যাচাই করে। কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ও’ গ্রুপের রক্ত মশাদের বেশি পছন্দ। তবে অধ্যাপক রিহলে তেমনটা পুরোপুরি মানতে রাজি নন।

default-image

তাঁর মতে, এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জেনেটিকস এবং ডায়েটের মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনো কোনো মানুষের শরীরের গন্ধের ওপরও নির্ভর করে কোন মশা তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হবে, আর কোন মশা কম আকৃষ্ট হবে। যেসব পুরুষের ত্বকে কম বৈচিত্র্যময় ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি থাকে, স্ত্রী মশারা তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।

আবার যাদের ত্বকের রং গাঢ়, তাদের প্রতিও স্ত্রী মশারা বেশি আকৃষ্ট হয়। স্ত্রী মশা প্রতি সেকেন্ড পাঁচ শ বারের মতো ডানা ঝাপটায় এবং এই শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি ৪৫০-৫০০ হার্টজ। পুরুষ মশার শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি কিন্তু স্ত্রী মশার চেয়েও বেশি। মশার এই প্যানপ্যান শব্দ আমাদের কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর মনে হলেও পুরুষ মশার কাছে সুমধুর! মিলনের জন্য যখন পুরুষ মশা স্ত্রী মশার খোঁজে থাকে, তখন তারা এই শব্দ শুনেই সঙ্গী বাছাই করে।

সূত্র: লাইভ সায়েন্স

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন