বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের আনাচকানাচে ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের মতো ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে ট্রাম্পের এ রকম অসংখ্য ভক্ত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই অনেকে নিজেদের চুল কমলা রঙে রাঙিয়ে নিয়মিত টিকটক ভিডিও বানাচ্ছেন। এমনই এক রঙিন চুলের ট্রাম্পভক্তের সঙ্গে ঢাকার হাতিরঝিলে দেখা হয় ‘একটু থামুন’-এর এই প্রতিনিধির। টিকটক ভিডিও বানানোয় ব্যস্ত থাকার পরও ওই তরুণের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তাঁর ভালোবাসার গভীরতা কতটা? ভিডিও বানাতে বানাতেই তিনি বলেন, ‘নিজের অতি আদরের চুল ট্রাম্পের চুলের মতো কমলা রং করে ফেলার পরও তাঁর প্রতি ভালোবাসার গভীরতা নিয়ে আপনারা প্রশ্ন করেন কীভাবে?’

default-image

ফেসবুক এবং টুইটার থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদায়ের এক বছর পূর্তি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করেছে তাঁর চট্টগ্রামের ভক্তরা। ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্যান ক্লাব অব বাংলাদেশ’ নামে এক ফেসবুক গ্রুপ মূলত এর উদ্যোক্তা। গ্রুপটির অ্যাডমিন ডোনাল্ড টুটুলের উদ্যোগে ‘মিস ইউনিভার্স ডোনাল্ড ট্রাম্প’ শিরোনামে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের ইংরেজি নামে ভুল আছে কি না, এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরি, এখানে কোথাও ভুল নেই। “মিস ইউনিভার্স ডোনাল্ড ট্রাম্প” মানে এই মহাবিশ্ব ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মিস করছে।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য দিব্যি আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে না পেয়ে ভক্তদের আবেগঘন স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়া কী? জানতে চেয়ে ‘একটু থামুন’-এর তরফ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমোতে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আসলে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ফেক দুনিয়া ছেড়ে ভালোই আছি। আগে হুদাই ফেসবুকে সারা দিন মেয়েদের সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করতাম। এ ব্যাপারে আপনাদের ভাবি, মানে মেলানিয়া ট্রাম্পের হাতে ধরা খেয়ে কয়েকবার মারও খেয়েছি। এটা পুরোপুরি একটা ফেক দুনিয়া। এক মাস একটা মেয়ের সঙ্গে কথা বলে দেখা করতে গিয়ে দেখি, সে আসলে পুরুষ! শেষমেশ সব অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করে এখন জীবনটা ভালোই উপভোগ করছি। তাই আপনাদেরও উচিত, এখনই এসব সোশ্যাল মিডিয়ার সব অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করে আমার মতো জীবনটা উপভোগ করা। তবে টিকটক করতে পারেন। ওটা আমার ভালোই লাগে।’

default-image

তিনি নিজে ফেসবুক ও টুইটার ‘অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ’ করেছেন, নাকি কর্তৃপক্ষ তাঁর অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে? প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প খেপে যান, ‘কে কয় আপনাদের এগলা? আমারই এসব অ্যাকাউন্ট চালানোর টাইম নাই। এখন সাহিত্যচর্চা করছি। আগামী বইমেলায় মোটিভেশনের ওপর একটা বই বের করব। বইয়ের নাম ইতিমধ্যে ঠিক করে ফেলেছি—“সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে সফল হবেন যেভাবে”। বইটি কিনবেন আশা করি। বইটি পড়ে পইপই করে আপনিও শিখতে পারবেন, কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় না থেকে সফল হওয়া যায়, ভালো থাকা যায়!’

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন