নাসির নামের এক ডানপিটে ছেলে এলাকার সবাইকে দুশ্চিন্তায় রাখে। কখনো পাড়ার মির্জা সাহেবের গাছ থেকে ডাব পেড়ে খায়, আবার কখনো বিভিন্ন প্রভাবশালীর সঙ্গে রেজ-বেইট, মানে রেষারেষি করে বেড়ায়। তবু সোয়্যাগ স্বভাবের জন্য সে হয়ে উঠেছিল এলাকার নায়ক। কিন্তু নাসিরের ছিল এক গোপন পাগলামি, অথবা বলতে পারেন, ছাগলামি। ছাগল দেখলেই কী যেন হয়ে যেত তার! বিশেষ করে, পূর্ণিমা রাত এলেই খাসির রেজালা খাওয়ার জন্য উতলা হয়ে উঠত। ছাগল নিয়ে পাগলামির জন্য বন্ধুরা তাকে ডাকত ছাগল-পাগলু, আর প্রেমিকা ডাকত ছাগলু!
কিন্তু একদিন বদলে গেল অনেক কিছু! প্রেমিকার বাড়ির ছাগলটাই চুরি করে খেয়ে ফেলল নাসির। আর সেই ছাগল নাকি উপহার দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব। গল্প নিল নয়া বন্দোবস্ত, মানে নতুন মোড়। একদিকে প্রেম, অন্যদিকে ছাগলের প্রতি অতিপ্রাকৃত অবসেশনের এই টানাপোড়েন নিয়ে থ্রিলার ড্রামা ‘ছাগলু’।
যেসব কারণে ইউনিক
— ছাগল চুরির দৃশ্যগুলো মন ভরানো সোয়্যাগ এবং ধুম-টু টাইপ অ্যাকশনে পরিপূর্ণ।
— কিছু সংলাপ আজীবন মনে রাখার মতো, যেমন— ‘পাগল তো অনেকেই হয়, তোমার প্রেমে আমি ছাগল হয়েছি, ছাগল!’ ‘আমি ছাগলের চাইর নাম্বার বাচ্চা, আমারে মারতে পারবে না কোনো *** বাচ্চা!’
— ‘ছাগলু... থোড়াসা কারলে রোম্যান্স’, ‘সানডে দিলাম ব্ল্যাক বেঙ্গলকে, মানডে দিলাম রামছাগলকে...’, ‘ছাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না...’ এমন কিছু মনমাতানো গান আছে।
— ছাগল চরিত্রে ছাগলের অভিনয় মন ছুঁয়ে যাবে। বিশেষ করে ম্যা–এ–এ... বলে যখন সে দৌড়ে চলে যায়।
সতর্কতা
কারও পোষা ছাগল থাকলে সিনেমাটি দেখতে যাবেন না, মন খারাপ হবে।