দেশের মানুষ দুশ্চিন্তায়। বিশ্বকাপে কোনো দেশকে সাপোর্ট করা শুধু ফুটবলীয় বিষয়ই নয়, এটি একটি জটিল ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত।
প্রথম প্রশ্ন, আমরা কি চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কাউকে সাপোর্ট করতে পারব?
রাশিয়া তো বিশ্বকাপে নেই। চীন নেই। বিপদ কমল। কিন্তু ইরানের বেলায় কী হবে? ইরানকে সাপোর্ট করলে কি গার্মেন্টসের অর্ডার বন্ধ হয়ে যাবে?
এ বিষয়ে ডাক্তার স্যারের জরুরি মতামত প্রয়োজন।
ফ্রান্সের ব্যাপারটাও জটিল। যদি এয়ারবাস বাদ দিয়ে বোয়িং কিনতে হয়, তাহলে ফ্রান্সকে সাপোর্ট করাটা কি চুক্তিভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে?
এরপর ব্রাজিল। ব্রাজিল তো ব্রিকসের সদস্য। ব্রিকসকে সাপোর্ট করলে কেউ আবার ভুল বুঝবে না তো? ব্রাজিলের খেলা দেখতে গিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে দায় কে নেবে?
আর্জেন্টিনার অবস্থা তুলনামূলক নিরাপদ মনে হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো অদৃশ্য স্বার্থের সংঘাত আছে কি না, সেটা যাচাই না করেই মেসির জার্সি পরাটা ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই প্রস্তাব হলো, বিশ্বকাপের আগে একটি ৩-০ নির্দেশিকা প্রকাশ করা হোক—‘কোন দলকে কত মিনিট সাপোর্ট করা যাবে’। প্রয়োজনে ‘বিদেশাগত’ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা যেতে পারে!
জাতি আজ জানতে চায়—ফাইনালে গোল হলে আমরা খুশি হব, নাকি আগে অনুমতি নেব?
ডাক্তার স্যার, আপনি কই?