সোনার ট্রেন

আঁকা: আনিকা নাওয়ার

গগনে গরজে ট্রেন ঝুম বরষা,

ফার্মগেটে রাইড ডাকি, নাহি ভরসা

ঝিরি ঝিরি ঝরোঝরো,

বৃষ্টিরা পড়ো পড়ো,

মাথায় হেলমেট পরো,

খেয়ে চরোসা,

ডাকিতে ডাকিতে বাইক, এলো বরষা।

বস্তায় কাঁঠাল নিয়ে আমি একেলা,

চারিদিকে টেসলারা মারিছে ঠেলা,

বৃষ্টি যদি আসে ধেয়ে,

ফোক স্টুডিও গেয়ে

কিছুটা গঞ্জিকা খেয়ে

বৃষ্টিতে ভিজে যাই এই অবেলা।

বস্তায় কাঁঠাল নিয়ে আমি একেলা।

মেেট্রার ছাদের নিচে মাথাটা বাঁচাই,

পাকিল কাঁঠালখানা ছিল যা কাঁচাই,

তাই দ্রুত লিফটে যাই,

মেট্রোর টিকিট যদি পাই,

মেট্রােত নেব ঠাঁই,

মেট্রোতে চলে যাব শেওড়াপাড়াই।

তোপখানা স্টেশনে মেট্রোর পাড়ে

দাঁড়িয়ে রয়েছি ভিড়ে বস্তা ঘাড়ে

এত কেন ভিড় আজ

বাইরে পড়িছে বাজ

বৃষ্টিতে ভিজিল সাজ

মেট্রো স্টেশনে দেখিনু তারে

সে আমার এক্স হয়

লেডিস কামরা কাছে রয়

দেখে যেন মনে হয়

ডাকি উহারে

মেট্রো স্টেশনে দেখি যে তারে

আজ এত ভিড় কেন ভাবি মনে মনে

ওই দেখো ট্রেন আসে ইশটিশনে

ভিড় ঠেলে দোরে যাই

বস্তাটা আগে চাপাই

আমি উঠতে পারি নাই

নামার যাত্রী ধাক্কা দিল সন্ধিক্ষণে

আমার কাঁঠাল নিয়ে চলে গেল ট্রেন

এক্স দেখি চলে যান একটু হাসেন

    ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্‌ উত্তরা

     কী করে চলেছ তুমি আমাকে ছাড়া

            যেয়ো যেথা যেতে চাও,

           কাঁঠালটা তুলে নাও

                         ক্ষণিক হেসে

     সোনার কাঁঠালখানা স্টেশনে এসে।

    ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোট সে ট্রেন

  সোনার কাঁঠালখানা বুকে তুললেন

            শ্রাবণগগন ঘিরে

            ঘন মেঘ ঘুরেফিরে,

            শূন্য লাইনের ধারে

                    একা রহিলেম

     যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার ট্রেন।

তাই আজ র‍্যাপ গাই

ইউটিউবে র‍্যাপ বাজাই

কাঁঠালের গন্ধ আসে

নাকে প্রবলেম

তরি নয় চলে গেল কাঁঠালের ট্রেন।