এর কারণ হলো, মায়ের গর্ভে যে পরিবেশে ভ্রূণের বিকাশ হয়, তা আঙুলের ছাপ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। আর যেহেতু প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এই পরিবেশ ভিন্ন, তাই তাদের আঙুলের ছাপও ভিন্ন। কোনো ব্যক্তিকে তার জেনোটাইপ ও ফেনোটাইপ বৈশিষ্ট্য দিয়ে বিচার করা যায়।

default-image

প্রথমটি হলো তার ডিএনএ, অর্থাৎ মা-বাবার কাছ থেকে পাওয়া জিনসমষ্টি। আর ডিএনএ পরিবেশের সান্নিধ্যে আসার পর ব্যক্তি যেসব বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, তা হলো ফেনোটাইপ।

মায়ের পেটে ভ্রূণের ফেনোটাইপ বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে বাধ্য। কারণ, কোনো দুই ভ্রূণ হুবহু একই অবস্থানে থাকে না। সামান্য হেরফের হয়ই। এমনকি অভিন্ন যমজ, যাদের জেনোটাইপ অভিন্ন, তাদেরও ফেনোটাইপ ভিন্ন হয়ে থাকে।

default-image

মায়ের পুষ্টি, রক্তচাপ প্রভৃতিও আঙুলের ছাপের পার্থক্য সৃষ্টি করে। এ জন্যই কোনো দুই ব্যক্তির আঙুলের ছাপ হুবহু এক হয় না।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন