সঙ্গে সঙ্গে তাঁর হুকুম তামিল হলো। মোল্লা সাহেবের আনন্দ নিরানন্দে পরিণত হলো। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই।

মোল্লা সাহেব কাউকেই কিছু না বলে বাড়ি ফিরে মনের দুঃখে গায়ের ব্যথায় চুপচাপ শুয়ে রইলেন। স্ত্রী এসে অনেকবার জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু কোনো উত্তরই দিলেন না তিনি।

বাস্তবে সেদিন কিন্তু শাহজাদার শিকার খুবই ভালো হলো।

বাড়ি এসে তিনি নাসিরুদ্দিনকে ডেকে পাঠালেন।

তিনি আসতেই শাহজাদা কবুল করলেন, ‘নাসির, আমি ভেবেছিলাম তুমি অপয়া। এখন দেখছি তা নয়। তুমি খুবই পয়া লোক।’

নাসিরুদ্দিন খুব ভয় পেয়েছিলেন, কিন্তু এ কথা শোনার পর রীতিমতো লাফিয়ে উঠলেন, ‘আপনি ভেবেছিলেন আমি অপয়া? আমাকে দেখে আপনি ভালো ভালো শিকার করলেন, হরিণ মারলেন—আর আপনার মুখ দেখে আমি বিশ ঘা চাবুক খেলাম। অপয়া যে কে, সেটা নিশ্চয়ই এখন বুঝতে পারছেন।’ এ কথায় শাহজাদা রাগ না করে নাসিরুদ্দিকে পুরস্কৃত করলেন। নাসিরুদ্দিন নাচতে নাচতে বাড়ি ফিরে তাঁর বউকে এবার সব কথা খুলে বললেন।

প্রথমা প্রকাশনের নাসিরুদ্দিন হোজ্জার ১০০ গল্প বই থেকে

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন