(কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাপূর্বক)
যে বাস রোডস্থ হলো আজ রাত্রে
তার মুখে খবর পেলুম:
সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,
নতুন রুটের ঘাড়ে তাই ব্যক্ত করে অধিকার
জন্মমাত্র সুতীব্র সাইরেনে।
গর্বদেহ নিঃসংশয়, তবু সামনে মুষ্টিছাড়া হাত
উত্তোলিত, উদ্ভাসিত
কী এক দুর্বোধ্য প্ল৵ানে।
সে ভাষা বোঝে না কেউ
কেউ স্লোগান দেয় , কেউ সামনে সামনে দৌড়ায়।
আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে প্ল৵ান,
পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের,
সামনের স্লোগান পড়ি রোডস্থ বাসের
স্পষ্ট স্লোগান লেখা কাচে।
এসেছে নতুন বাস, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান:
ভাঙাচোরা চেসিস ঝরঝরে লক্কড়ঝক্কড় বডি নিয়ে
চ’লে যেতে হবে আমাদের।
চ’লে যাব—তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে স্টার্ট
প্রাণপণে পৃথিবীতে ছড়াব জঞ্জাল,
এ বাসকে গাজীপুরের ভাঙা সড়কে চলাচলের যোগ্য করে যাব আমি,
নবপরিবহনের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অবশেষে সব কাজ সেরে
আমার দেহের এবড়োখেবড়ো পাশ দিয়ে
নতুন বাসকে
দিয়ে যাব ঘষা,
তারপর হব হেডলাইন কশা।