খুব জানতে ইচ্ছে করে

নিমু, আপনাকে কতটা ভালোবাসি, আমি জানি না। আমি যে আপনাকে ভালোবাসি সেটা কোনো প্রাপ্তির আশায় না। আমাদের পরিচয় অনলাইন থেকে। তাই হয়তো আমাদের মধ্যে কিছুই হলো না। লোকে বলে, অনলাইনে আর যা–ই হোক সম্পর্ক হয় না। ভালোবাসা হয় না। আমার ভালোবাসা হয়েছে, তবে একতরফা। আপনাকে একনজর দেখার জন্য নীলফামারী থেকে ঢাকায় আসা এত সহজ হয়নি। যা–ই হোক, আপনাকে দেখার সাধ তো মিটেছে।

আমার একতরফা ভালোবাসায় কোনো পরিণতি নেই, তবে শান্তি আছে। আর এতেই আমার সুখ। কারণ, মানুষ কল্পনায় বেশি সুখী। তবে একটা বিষয় খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমার ভেতর কী ভালোবাসার মত কিছুই ছিল না?

জয়া

সব ভালোবাসা কি প্রেম হয়

কেমন আছেন, বেস্ট ফ্রেন্ড? যতটুকু দেখেছি, যতটা জেনেছি, আপনাকে নিয়ে প্রশংসা করব এমন ভাষা হয়তো তৈরি হয়নি। আপনাকে অনেক ভালোবাসি। সব ভালোবাসার নাম প্রেম হয় না, কিছু ভালোবাসার নাম বন্ধুত্বও হয়। জানেন, আমার অনেক স্বপ্ন আপনাকে নিয়ে। যেদিন থেকে আপনার সঙ্গে পরিচয়, সেদিন থেকে আমার মধ্যে এক অন্য আমিকে খুঁজে পেয়েছি। যেদিন থেকে আপনার স্বপ্ন সম্পর্কে অবগত হয়েছি, সেইদিন থেকে নিজে একটা গল্প লিখেছি, আপনার স্বপ্ন পূরণের গল্প। কোনো এক দিন আমি আর আপনি দূরে কোথাও হারিয়ে যাব। তবে একটা কথা বলতে চাই, হাতটা যখন ধরেছো, সারা জীবনের জন্য ধরে রেখো।

তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড

আতিয়া মাহজাবিন, দক্ষিন সুরমা, সিলেট

আদর্শ ছেলেরা কই

ছোটবেলায় ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতা পড়েছি। শীতের সন্ধ্যায় মাটির চুলার পাশে মোড়ায় বসে পড়েছি চুলার আগুনের আলোয়। কবিতাটি পড়ে চোখের জল গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিলো ঠিকই, কিন্তু সেটা কুসুমকুমারী দাশের আদর্শ ছেলে হওয়ার তাড়নায় নয়। আমার মায়ের আদর্শ ছেলে হওয়ার প্রয়াসে। সেটার পেছনে আধশুকনা একটা কঞ্চি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছিল। কঞ্চির একপাশে মমতা, দরদ, ভালোবাসা, দায়িত্ব আর অন্যপাশে একচিমটি শারীরিক কষ্ট। ফলস্বরূপ গাল বেয়ে একটু নোনতা জল। সঙ্গে কড়া বক্তব্য ‘কত্তো সুন্দর কবিতা, খালি না পড়ার বাহানা।’ কবিতা মুখস্থ করার তাগিদে সেই জল শুকিয়ে গেলেও ‘আদর্শ ছেলে’ মনে রয়ে গিয়েছিল।

ব্যস! ওই পর্যন্তই। আদর্শ ছেলে হয়ে উঠেছিলাম ওই সময় পর্যন্তই। মায়ের মুখে কিছুটা হাসি ফোটাতে পেরেছিলাম। নিজেও সে আনন্দে আত্মহারা হতাম। কই সেই সময়? কোথায় সেই আদর্শ ছেলেটির রূপে আমি? পরিবার বা সমাজের প্রয়োজনে কুসুমকুমারী দাশের আদর্শ ছেলেরা প্রস্তুত আছে কী? কই তারা?

মো. মঈনুল হক খান

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন