চলুক ফল ও ফলের জুস

ইফতারের সময় থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের ফল বা ফলের জুস। ফলের জুস তৈরি করার সময় একটু দই বা দুধ দিয়ে নরম করে নিতে পারেন। যেটি আমাদের সাময়িকভাবে এনার্জি দিয়ে সাহায্য করবে। আমরা দ্রুত সতেজ হয়ে যেতে পারব। লেবুর শরবত খুবই উপকারী একটি পানীয়। কিন্তু এটা নিয়ে অনেকের ভিন্নমত আছে। তাদের মতে, লেবুর শরবতে গ্যাস হয়। সে ক্ষেত্রে লেবুর শরবতে ইসবগুলের ভুষি বা তোকমাদানা ব্যবহার করতে পারেন। এ উপকরণগুলো দিয়ে লেবুর শরবত তৈরি করলে গ্যাসের কোনো সমস্যা করবে না। মূলত লেবুর শরবতে সবার গ্যাসের সমস্যা হয় না।

default-image

বাদ দিন সফট ড্রিংকস বা সোডা পানি

ইফতারের সময় পানীয় হিসেবে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সফট ড্রিংকস বা সোডা পানি পছন্দ করেন। এ বিষয়ে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। কারণ, সোডাজাতীয় পানি আমাদের খুব দ্রুত ডিহাইড্রেট করে। তাই রমজান মাসে, বিশেষ করে ইফতারের সময় সোডা পানি পান না করাই উচিত।

বেশি ঠান্ডা পানি খাওয়া উচিত না

ইফতারের সময় অনেকেই ফ্রিজে পানি রেখে ঠান্ডা করে খেতে পছন্দ করেন। এ ছাড়া প্রচুর বরফ দিয়ে শরবত খাওয়াও পছন্দ অনেকের। এ বিষয়েও সাবধান থাকতে হবে। কারণ, এখন প্রচুর গরম, এর মধ্যে হুট করে বেশি ঠান্ডা পানি খেলে শরীরে অনেক সময় বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

default-image

বাসায় বানানো বরফ-পানীয়

প্রায়ই আমরা বাইরে থেকে আখের জুস কিনে খেতে পছন্দ করি। এ ক্ষেত্রেও একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, বাইরের আখের জুসে বরফ বা বরফ-পানীয় ব্যবহার করা হয়। তাই ইফতারের সময় আখের জুস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি বরফ দিয়ে তৈরি করতে হয় তাহলে বাসায় ফ্রিজে বরফ তৈরি করে নেওয়াই ভালো। সেই বরফ শরবত বা ফলের জুসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

default-image
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন