বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেনে নেওয়া যাক টয়লেট পরিষ্কারের সবচেয়ে সহজ কিছু টিপস।

default-image

*কমোড পরিষ্কারের আগে বাথরুমের বালতি, মগ ও অন্যান্য যা কিছু আছে, সব সরিয়ে নিয়ে ফাঁকা করুন।

*টয়লেট পরিষ্কারের আগে বালতি, মগ ও অন্যান্য জিনিসপত্র কমোড থেকে দূরে রাখুন। লিকুইড টয়লেট ক্লিনিং ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ও ঝামেলা কম। কমোড পরিষ্কারের আগে প্রথমে ভালোভাবে ফ্ল্যাশ করে নিন। তারপর পরিমাণমতো লিকুইড টয়লেট ক্লিনার ছিটিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং পরিশেষে ভালোভাবে ব্রাশ করলেই কমোড একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।

*কমোডের পেছনের অংশ পরিষ্কার করতে সবচেয়ে বেশি মুশকিলে পড়তে হয়। কেননা, সেখানে সহজে ব্রাশ পৌঁছায় না। আর সেখানে প্রচুর নোংরাও জমা হয়। তাই সেখানে জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করুন।

*পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

*টয়লেটে সবচেয়ে বেশি জীবাণু থাকে ব্রাশে। ব্রাশের ভেতরে জমে থাকে জীবাণু। তাই টয়লেট পরিষ্কারের পর ব্রাশটিকে একটি জীবাণুনাশক তরলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরদিন ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে। টয়লেটের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কারের জন্য বিভিন্ন আকার ও আকৃতির ব্রাশ রাখতে পারেন।

default-image

*কমোডের পেছনের অংশে আর কমোডের সিটেও প্রচুর জীবাণু থাকে। তবে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করলে সহজেই জীবাণুমুক্ত জীবন যাপন করা যায়। মহামারিকালে কমোডে বসার আগে জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করলে আরও ভালো।

*বাথরুম বা কমোড পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই গ্লাভস ব্যবহার করবেন।

*নিয়ম করে বাথরুমের প্রতিটি কোনা পরিষ্কার রাখাও খুব জরুরি।
প্রতিবার ফ্ল্যাশ করার সময় টয়লেটের ঢাকনা লাগিয়ে নেবেন। নতুবা জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে সবখানে।

default-image

নিজের সুরক্ষার জন্য টয়লেট পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখা এমনিতেই জরুরি। আর অতিমারিকালের বাস্তবতায় তা আরও জরুরি হয়ে পড়েছে। জীবাণুমুক্ত জীবনযাপনের কোনো বিকল্প নেই। তাই সঠিক উপায়ে করোনা–প্রতিরোধী লিকুইড টয়লেট ক্লিনিং ব্যবহার করে টয়লেট পরিষ্কার করুন।

ছবি: পেকজেলসডটকম

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন