বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মার্কিন অভিনেত্রী ও প্রযোজক সারা জেসিকা পার্কার ১৯৯৭ সালে নিজের বিয়েতে কালো রঙের ফ্রকের মতো গাউনে হাজির হয়ে জানান দিয়েছিলেন, কালো পোশাকের কনে দেখতে বেশ, আর সবার চেয়ে আলাদা। এরপর ব্রিটিশ ফ্যাশন ডিজাইনার পার্ল লো ২০০৮ সালে তাঁর নিজের বিয়েতে কালো পোশাকে হাজির হলে বিয়ের আসরে সবাই ‘হাঁ’ হয়ে গিয়েছিলেন। পরের বছরই টিভি সিরিজ ‘সেলিং সানসেট’-এর অভিনেত্রী ক্রিস্টিন কুইনও পরেন কালো রঙের একটি ঝলমলে গাউন। সেটি দারুণ সাড়া ফেলে। তার পর থেকেই মূলত বিয়ের আসরে কালো পোশাক বেশ খানিকটা গ্রহণযোগ্যতা পায়, স্বাভাবিক হয়ে আসে।

default-image

ওয়েডিং স্টাইলিস্ট মার্থা টোবেন বলেন, মহামারিকালের পর বিয়েতে কালো পোশাকের চল চোখে পরার মতো বেড়েছে। কেননা, এরপরই মানুষ ফ্যাশনের ক্ষেত্রে আরও স্বাধীন, সাহসী আর আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে তার পছন্দ তুলে নিচ্ছে। ২০১৯ সালে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী লিডিয়া প্যাং ফ্যাশন ডিজাইনার রবার্টস উডের নকশা করা কালো র‌্যাফলড সিল্কের অরগ্যাঞ্জা পোশাকে দেখা দেন। সে সময় একাধিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন শিরোনাম করেছিল, ‘কালো গাউনে জমকালো কনে’।

default-image

নিজের বিয়ের পোশাক নিয়ে লিডিয়া দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘কালো আমার সবচেয়ে প্রিয় রং। এর চেয়ে গর্জিয়াস রং আর হয় না। তাই বিয়ের আসরে আমি কালো ছাড়া আর কোনো রং কল্পনাই করতে পারি না। কালো আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে, শান্ত রাখে। আর বিয়ের দিন আমি তো অন্য কারও মতো নয়, বরং নিজের মনমতো সাজতে চাই। তা ছাড়া চুপিচপি একটা গোপন কথা বলে রাখি, কালো সবচেয়ে আবেদনময়ী। আপনি যদি ফ্যাশনিস্তা হন, বিয়েতে কালো বেছে নিন। ঠকবেন না। আর সবকিছুই আপনার পোশাকের সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে যাবে। আর আপনাকে লাগবে অনন্য কনে, এটা বলাই বাহুল্য।’

default-image

অনেকে আবার বিয়ের পোশাক আরও খানিকটা ‘ড্রামা’ যোগ করতে তুলে নেন ‘সাদা-কালো’ গাউন। সেখানে কখনো সাদার আধিপত্য থাকে, আাবার কখনোবা রাজত্ব করে কালো।

default-image
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন