বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কারিনা তাঁর বইয়ে লিখেছেন, তৈমুরের বেলায় তিনি সন্তান জন্মের ১৪ দিন পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে পারেননি। জেহ্ জন্মের পরই যখন মায়ের বুকের দুধ পেয়েছে, সেটা কারিনার কাছে একটা বড় ব্যক্তিগত অর্জন বলে মনে হয়েছিল। গর্ভবতী অবস্থায় নিজের খ্যাদ্যাভ্যাস নিয়ে কারিনা করণ জোহরের সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভে বলেন, ‘আমি স্বাভাবিক অবস্থায় মূলত ভেজিটেরিয়ান। কিন্তু গর্ভবতী অবস্থায় আমার প্রতি বেলায় মাংস খেতে ইচ্ছে করত। হয়তো শরীরের বিশেষ অবস্থায় প্রাণিজ প্রোটিনের দরকার থেকে এমন হতো। আমি প্রতিদিন পিৎজ্জা খেয়েছি। আমি এমনভাবে পিৎজ্জা খেতাম যে আমার আশপাশের মানুষজন হাঁ করে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। আমার নিজেরই মনে হতো যে আমি আর আমি নই।’

default-image

পিৎজ্জা ছাড়াও গর্ভবতী অবস্থায় কারিনার পানিপুরি খাওয়ার ‘ক্রেভিং’ হতো। এ ছাড়া মেক্সিকান খাবার বুরিতো ছাড়াও ছোলা বাটোরা, চিজ, ক্রিম আর হোয়াইট সস দিয়ে বানানো স্প্যাগোটি, পটেটো চিপস, চটপটি খেয়েছেন। কারিনা জানান, গর্ভবতী অবস্থায় তিনি মাতৃত্ব নিয়ে অযাচিত উপদেশ পেয়েছেন। সেগুলো এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিয়েছেন। দুটি কান থাকার নাকি এই এক সুবিধা। ইচ্ছেমতো বাচ্চাদের কাপড়চোপড় ও জিনিসপত্র কিনেছেন। আর পিৎজ্জা ছাড়া থাকতেই পারেননি। কারিনা বলেন, ‘অষ্টম মাসে এসে আমার এমন অবস্থা হলো যে হয় আমার বাগদানের আংটি খুলে রাখতে হবে, না হয় পিৎজ্জা খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আমি দেখলাম, এই সুযোগ। জীবনে হয়তো আমি আর কখনোই এভাবে পিৎজ্জা খেতে পারব না। আমি দিব্যি আংটি খুলে রেখে পিৎজ্জা খাওয়ায় মন দিলাম।’

default-image

কারিনা জানান, গর্ভকালে তিনি এই হাসছেন, আবার এই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন, যার কোনো ব্যাখ্যা হয় না। বাচ্চাদের স্বপ্ন দেখেছেন। আর বাচ্চা জন্ম দেওয়ার আগেই তার নাম ঠিক করে ফেলেছেন। দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর ওজন, শরীরের দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেছেন। তবে তৈমুরকে সামলাতে কারিনার যত কষ্ট হয়েছে, জেহ্‌র বেলায় সেটা হচ্ছে না। কেননা, জেহ্ নাকি অনেক শান্ত আর লক্ষ্মী, তৈমুরের মতো দুষ্টু বাচ্চা না।

default-image
লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন